
কুয়েত ও বাহরাইনে ৮টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ধ্বংসের দাবি ইরানের
ইরানের ওপর মার্কিন হামলার প্রতিশোধ হিসেবে কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ৮টি সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করার দাবি করেছে দেশটির রেভল্যুশনারি গার্ড (আইআরজিসি)। গত রোববার ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি এই তথ্য জানিয়েছে। টিআরটি ওয়ার্ল্ড নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ‘আরও শক্তিশালী’ জবাব দেয়ার হুঁশিয়ারি আইআরজিসির
যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো নতুন হামলার জবাবে ‘আগের চেয়েও শক্তিশালী’ প্রতিরোধ গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেন মহিব্বি ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, যেকোনো আগ্রাসন মোকাবিলায় তেহরান পুরোপুরি প্রস্তুত। মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ভেস্তে যাচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি চুক্তি, পাল্টাপাল্টি দোষারোপ
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলায় ভেস্তে যেতে বসেছে যুদ্ধবিরতির চুক্তি। দুই পক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী বলছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলার সুযোগ নষ্ট করেছে ইরান। জবাবে আইআরজিসি হুঁশিয়ারি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি লঙ্ঘন করলে আগের চেয়েও কঠোর জবাব দেয়া হবে। এমন অবস্থায় হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে শঙ্কা।

সমঝোতা ছাড়াই ইরান-যুক্তরাষ্ট্র প্রথম পর্বের আলোচনা সম্পন্ন
কার্যকর কোনো সমঝোতা ছাড়াই সুইজারল্যান্ডে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র প্রথম পর্বের আলোচনা শেষ হয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, শুরুতে কেবল সমঝোতা স্মারক সইয়ের কথা বলা হলেও এখনই সেটি বাস্তবায়নের কথা বলছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়াও, লেবাননে হিজবুল্লাকে সমর্থন দিলে ইরানে আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন হুমকির জবারে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তবে, আইআরজিসি বলছে, লেবাননের যুদ্ধবিরতি শর্তের ওপরই পরবর্তী আলোচনার ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে বড় লাভ হবে আইআরজিসির
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানে যে চুক্তির রূপরেখা তৈরি হচ্ছে, তাতে একটি বড় ধরনের বৈপরীত্য দেখা দিয়েছে। ইরানকে চুক্তিতে রাজি করানোর জন্য যেসব সুযোগ-সুবিধা দেয়া হচ্ছে, তা শেষ পর্যন্ত দেশটির প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসকে (আইআরজিসি) আরও শক্তিশালী করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্ররা এই বাহিনীকে একটি ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে বিবেচনা করে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

হরমুজ প্রণালির কাছে না আসার নির্দেশ; হুঁশিয়ারি আইআরজিসির
হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। আজ (শনিবার, ২০ জুন) এক বিবৃতিতে এই প্রণালির কাছাকাছি কোনো জাহাজকে না আসার জন্য সতর্ক করা হয়েছে। অন্যথায় তাদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইআরজিসি। মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলায় ইরাকে গোপন সেল গড়েছে আইআরজিসি: রয়টার্স
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা চালাতে ইরাকে নতুন গোপন সেল গঠন করেছে। ধরা পড়া এড়াতে প্রতিষ্ঠিত মিলিশিয়া নেটওয়ার্কের বাইরে গিয়ে এই কাজ করছে তারা। আট ইরাকি সূত্র রয়টার্সকে এই তথ্য জানিয়েছে।

তেহরানের জন্য ‘দ্বিমুখী তলোয়ার’ শান্তি চুক্তি; একদিকে কট্টরপন্থি, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ
ইরানের ঈশ্বরতান্ত্রিক শাসকেরা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান মোকাবিলা করতে সক্ষম হলেও তাদের আসল সমস্যা হয়তো এখন শুরু হতে যাচ্ছে। একদিকে যুদ্ধের ধকল কাটিয়ে ওঠা আত্মবিশ্বাসী কট্টরপন্থিদের দাবি মেটানো, অন্যদিকে বছরের পর বছর নিষেধাজ্ঞা ও সাম্প্রতিক ধ্বংসাত্মক যুদ্ধে পিষ্ট অতিদরিদ্র ও ক্ষুব্ধ জনগণের প্রত্যাশা পূরণ—এই দুইয়ের ভারসাম্য রক্ষা করাই এখন তেহরানের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক এখনও চূড়ান্ত নয়: আইআরজিসি
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের দিনক্ষণ নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছে না। রোববারের মধ্যেই চুক্তি স্বাক্ষর হবে ট্রাম্পের এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করে ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পস জানিয়েছে, সমঝোতা স্মারক এখনও চূড়ান্ত নয়, তবে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই চুক্তি হবে। আর, প্রজাতন্ত্রের কট্টরপন্থী সমর্থকরা শান্তি চুক্তির বিরোধিতা করলেও, ঐকমত্যের ইঙ্গিত তেহরানের শীর্ষ নেতাদের। যদিও হোয়াইট হাউস সূত্র বলছে, ১৪ জুন ট্রাম্পের দিনপঞ্জিতে চুক্তি স্বাক্ষর সংক্রান্ত কোনো পরিকল্পনা নেই।

ইরানের মানুষের মনোবল ভাঙতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল: আইআরজিসি
২০২৫ সালের ইরান যুদ্ধের এক বছর পূর্তিতে নিহতদের স্মরণ জানিয়ে ইরানের বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে স্মরণসভা। এগুলোতে অংশ নিয়ে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের শীর্ষ নেতারা বলছেন, এক বছরেরও কম সময়ের ব্যবধান দু’টি রক্তক্ষয়ী হামলার পরও, ইরানের মানুষের মনোবল ভাঙতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল। এমনকি দেশের স্বার্থে জনগণ আগামী দিনেও যেকোনো ত্যাগের জন্য প্রস্তুত বলেও দাবি করেছে আইআরজিসি।

ইরান যুদ্ধ: মার্কিন স্বার্থ ও রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাচ্ছেন ট্রাম্প
১১ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে ফিরে যাওয়ার দ্বারপ্রান্ত থেকে সরে আসে। টানা তৃতীয় রাত ইরানে হামলার ঘোষণা দিয়েও শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগে ইরানি সামরিক বাহিনী সতর্ক করেছিল, হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্র ‘আগের চেয়ে আরও কঠোর জবাব’ পাবে। ট্রাম্প পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, দুই দেশের আলোচনায় অগ্রগতি হওয়ায় তিনি হামলা বাতিল করেছেন। তার ভাষায়, ‘আলোচনার বিষয়বস্তু ও চূড়ান্ত পয়েন্টগুলো ধারণাগত ও বিস্তারিতভাবে অনুমোদিত হয়েছে।’ যদিও তেহরান বলেছে, এখনো কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। দ্য কনভারসেশনের প্রতিবেদনে এ তথ্য বিস্তারিত উঠে এসেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পাল্টাপাল্টি হামলা; হুমকিতে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো পাল্টাপাল্টি বিমান হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই উত্তেজনার ফলে গত এপ্রিলে হওয়া একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এর আগে সোমবার হরমুজ প্রণালির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার জেরে এই পাল্টাপাল্টি সংঘাতের সূত্রপাত হয়। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।