নিউ ইয়র্কে সাম্বার ছন্দ; সমর্থন জানাতে প্রস্তুত ব্রাজিলিয়ান ভক্তরা

নিউ ইয়র্কে ব্রাজিলিয়ান ভক্তদের উদযাপন
নিউ ইয়র্কে ব্রাজিলিয়ান ভক্তদের উদযাপন | ছবি: সংগৃহীত
0

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচের আগে ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের ঢল নেমেছে নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে। সবুজ-হলুদ জার্সি পড়ে, পতাকা আর বাদ্যযন্ত্র নিয়ে উৎসবে মেতেছেন সেলেসাওরা। সাম্বার তালে আর সুরের মূর্ছনায় পাল্টে গেছে ব্যস্ততম টাইমস স্কয়ারে পরিচিত চেহারা। কাল ভোর ৪টায় নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে মরক্কোর মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। তাই দলকে প্রেরণা দিতে এখন থেকেই উদযাপন শুরু ভিনি-নেইমার ভক্তদের।

এ যেন নিউইয়র্কের বুকে এক টুকরো ব্রাজিল। সাম্বার সুর আর তালে নাচছেন ভক্তরা, হলুদ-সবুজ রঙে ছেয়ে গেছে ব্যস্ততম টাইমস স্কয়ার। ফুটবল বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচের আগে এভাবেই উদযাপনে মেতেছেন ভিনি-নেইমারের সমর্থকরা।

সমর্থকদের মধ্যে একজন বলেন, ‘একমাত্র ব্রাজিলই অসাধ্য সাধন করতে পারে। কোনো দেশ এভাবে উদযাপন করতে পারে না। এটা ব্রাজিলই পারে।’

আরেকজন বলেন, ‘অনেক প্রত্যাশা নিয়ে এসেছি। আগামীকাল সেই বিশেষ মুহূর্ত, আমাদের প্রথম ম্যাচ। দলকে উৎসাহ দিতেই এসেছি। আমরা অবশ্যই জিতবো।’

দলকে শুভকামনা জানাতে গতকাল শুক্রবার পতাকা আর বাদ্যযন্ত্র নিয়ে টাইমস স্কয়ারে জড়ো হন ব্রাজিল সমর্থকরা। রোববার ভোর ৪টায় ইস্ট রাদারফোর্ডে নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে মরক্কোর মুখোমুখি হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

আরও পড়ুন:

ভক্তদের মধ্যে একজন বলেন, ‘আমরা ভীষণ খুশি। বিশ্বের অন্যতম বড় শহর নিউ ইয়র্কে থাকাটাও আনন্দের। এখানেও ব্রাজিলের আবহ আছে।’

অন্য আরেকজন বলেন, ‘এখানে আসতে পেরে খুবই আনন্দিত, অসাধারণ অভিজ্ঞতা। ভিনদেশে এত ব্রাজিলিয়ান সমর্থক পাওয়া রোজকার ঘটনা নয়।’

টাইমস স্কয়ারে জড়ো হওয়া ফুটবল অনুরাগীদের বেশিভাগই এসেছে ব্রাজিল থেকে, ছিলেন স্থানীয় সেলেসাওরাও। নেচে-গেয়ে উদযাপনে মেতেছেন সকলে। তাদের আশা, কার্লো আনচেলোত্তির হাত ধরে হেক্সা মিশন পূরণ করবেন নেইমার সতীর্থরা।

এদিকে টাইমস স্কয়ারে যখন ব্রাজিল ভক্তদের উন্মাদনা, তখন তীব্র গরমে পুড়ছে নিউ ইয়র্ক। তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যাওয়ায় অনেক দর্শনার্থীদের প্রাণ ওষ্ঠাগত। গরম থেকে বাঁচতে ছায়া, ঠান্ডা পানীয় এবং আইসক্রিমের সন্ধান করছেন তারা।

তবে এসবের মধ্যেও বিশ্বকাপের আনন্দে ভাটা পড়েনি। কষ্ট সহ্য করে হলেও ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’-এর প্রতিটি মুহূর্ত উদযাপন করতে চান স্থানীয় ও ভিনদেশী ফুটবলপ্রেমীরা।

এসএইচ