থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে শক্তিশালী ভিয়েতনামকে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। নিখুঁত নিশানা আর দারুণ টিমওয়ার্কে কম্পাউন্ড দল এনে দেয় কাঙ্ক্ষিত স্বর্ণপদক।
রোববার দেশে ফেরার পর রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চ্যাম্পিয়নদের জানানো হয় উষ্ণ সংবর্ধনা। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেওয়া হয় পুরো দলকে। এমন সাফল্যে উজ্জীবিত এখন দেশের ক্রীড়াঙ্গন।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম বলেন, ‘আমাদের যেসব ছেলেরা পুরস্কার পেয়েছে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে প্রথমেই মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি।’
এই অর্জনকে সামনে রেখে আর্চারদের লক্ষ্য এখন আরও বড়। ২০২৮ সালের অলিম্পিকে রিকার্ভের পাশাপাশি কম্পাউন্ড ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে। অলিম্পিককে কেন্দ্র করেই নিজেদের প্রস্তুতি আরও জোরদার করতে চান আর্চাররা।
তবে স্বর্ণজয়ের আনন্দের মাঝেও রয়েছে কিছুটা আক্ষেপ। রিকার্ভ ইভেন্টে এবার কোনো পদক জিততে পারেনি বাংলাদেশ। গতবারের স্বর্ণজয়ী আলিফ জানালেন, নিয়মিত অনুশীলনের ঘাটতিই ছিল এই ব্যর্থতার অন্যতম কারণ। এদিকে দলের হেড কোচ ফেডেরিখ মার্টিন মনে করেন, রিকার্ভে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ভালো থাকলেও দলগত সমন্বয়ে আরও উন্নতি দরকার।
স্বর্ণের গর্ব আর সীমাবদ্ধতার উপলব্ধি দুটো নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ আর্চারি। লক্ষ্য এখন একটাই বিশ্বমঞ্চে দেশের জন্য নতুন ইতিহাস গড়া।





