নেপালকে হারিয়েই শেষ দুটি সাফের শিরোপা জিতে বাংলাদেশ। তবে এবার সেমিফাইনালে শুরু থেকেই কিছুটা অগোছালো ফুটবল খেলে পিটার বাটলারের শিষ্যরা।
খেলার ১ম মিনিটেই কর্নার পায় নেপাল। ৩ মিনিটেই বাংলাদেশের পোস্টে শট নেন নেপাল স্ট্রাইকার রাশমি কুমারি। নিজেদের পজিশন ধরে রেখে বাংলাদেশ শিবিরে বার বার আক্রমণ শানাতে থাকে ৬ বারের রানার-আপরা।
এই ধারাবাহিকতায় খেলার ২৩ মিনিটে শাহীর কর্নার থেকে নেপালকে ১-০ গোলের লিড এনে দেন গিতা রানা। ৪০ মিনিটেই উমেহলা ও সৌরভীকে মাঠ থেকে নামিয়ে ডাবল সাবস্টিটিউট করেন কোচ পিটার বাটলার। মাঠে নামেন শামসুননাহার জুনিয়র ও তহুরা।
আরও পড়ুন:
প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে কর্নার থেকে বাংলাদেশকে সমতায় ফেরান ঋতুপর্ণা। নেপালি গোলকিপারকে বোকা বানিয়ে অলিম্পিক গোল করেন এই ফরোয়ার্ড।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই লিড নেওয়ার সুযোগ পায় নেপাল। তবে বাংলাদেশি গোলকিপার মিলি আক্তারের দৃঢ়তায় রক্ষা পায় আফঈদারা।
পুরো ম্যাচে বাংলাদেশের জালে ১৮টি শট নেয় নেপাল। শেষ ১০ মিনিটে জমে যায় ম্যাচ। আক্রমণ-পালটা আক্রমণে চলতে থাকে খেলা। বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়ে থাকলেও বেশ কয়েকটি সুযোগ নষ্ট করেন নেপালি স্ট্রাইকাররা।
৯৩ মিনিটে নেপালি ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে শামসুননাহারের ক্রস থেক বল পান বদলি হিসেবে নামা সাগরিকা। শেষ মূহুর্তে তার নাটকীয় গোলে জয় নিয়ে ফাইনালে পা রাখে দামাল কন্যারা।




