দীর্ঘ সাড়ে ৪ বছর ধরে চলা সংস্কারের এক বছর না যেতেই আবারও কাজ চলছে জাতীয় স্টেডিয়ামে। সংস্কারের সবশেষ অবস্থা জানতে মঙ্গলবার জাতীয় স্টেডিয়ামে উপস্থিত এখন টিভি।
দুপুর থেকেই টানা বৃষ্টি গুলিস্তানে। এবারের সংস্কারে কাজ হচ্ছে ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিয়েও। বৃষ্টি থামার পর পানি শুকাতে খুব বেশি সময় লাগেনি। তবে পূর্ণ সুবিধা পেতে এখনো কিছু কাজ করা প্রয়োজন বলে জানালেন সংস্কারের দায়িত্বে থাকা প্রধান প্রকৌশলী।
মেটাফোর স্পোর্টস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্সের হেড অব অপারেশন্স প্রকৌশলী শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘এই ট্র্যাকের পানিটা আমাদের মাঠের দিকে আসতেছে এখন। যদিও এখন পর্যন্ত ওই পানিটা আসার পরও আমরা..৩০ মিনিটের মধ্যে পানি চলে যাচ্ছে। তারপরও যদি ওই পানিটা না আসে, তাহলে আরও দ্রুত হবে।’
আরও পড়ুন:
এদিকে আগের ঘাস তুলে ফেলে স্প্রিগিং পদ্ধতি ব্যবহার করে মূল মাঠের পুরোটা জুড়ে নতুন ঘাস লাগানো শেষ হয়েছে। সাফের আগেই পুরো মাঠ প্রস্তুত হবে বলে প্রত্যাশা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের।
প্রকৌশলী শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আমাদের টার্গেটের থেকে এগিয়ে আছি আমরা। আমাদের ধারণা ছিলো যে, ঈদের পরও আমাদের ১ মাস সময় লেগে যেতে পারে আবহাওয়া এবং অন্যান্য সমস্যার কারণে। আলহামদুলিল্লাহ সেটা লাগেনি।’
বাফুফে জানিয়েছিলো, নতুন ঘাস লাগানোর আগে মূল মাঠের বাইরে থাকা ঘাসও তুলে ফেলা হবে। তবে বাস্তবে এখনও বহাল তবিয়তে রানিং ট্র্যাকের বাইরে থাকা ঘাস। এতে আগের মতো পুরো মাঠে একাধিক প্রজাতির ঘাস ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা থাকলেও সেটা প্রতিরোধে নেয়া হয়েছে ব্যবস্থা।
শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘এই একই সময়ে আমরা ওই কাজটুকুসহ করা সম্ভব হতো না, একটু চ্যালেঞ্জ আছে। ফেডারেশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, মাঠটাকে আগে করি, তারপর আউটসাইডটা পরে করা যাবে।’





