ফুটবল মানেই আবেগ। আর বিশ্বকাপ হলো এই আবেগের চূড়ান্ত রূপ। এ মঞ্চেই জন্ম নেয় কিংবদন্তি, গড়ে উঠে ইতিহাস। কেউ গোল করে, কেউ গোল করিয়ে বনে যান নায়ক।
বিশ্বকাপ মঞ্চে তেমনই একজন নায়ক জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা। গ্রেটেস্ট শো অন আর্থের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডটা নিজের দখলে নিয়েছেন এক যুগ হলো। চারটি বিশ্বকাপ খেলে ১৬ গোল করেছেন। নিজে যেমন রেকর্ড গোলের মালিক বনেছেন তেমনি দলকে জিতিয়েছেন বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফিটাও।
ব্রাজিলকে সবশেষ বিশ্বকাপ উপহার দেয়ার কান্ডারি রোনালদো নাজারিও। ২০০২ বিশ্বকাপে একাই প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠান ৮ বার। সবমিলিয়ে ৪ বিশ্বকাপে ১৫ গোল করেন ফেনোমেনন সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় আছেন দুইয়ে।
আরও পড়ুন:
মাত্র দুই বিশ্বকাপ খেলেই জার্মান কিংবদন্তি গার্ড মুলার যা করে গেছেন তাতে অনেকের চোখ কপালে উঠতে পারে। ১৯৭০ আর ’৭৪ সালে দুটো বিশ্বকাপ খেলেই করেছেন ১৪ গোল। ২৮ বছর ছিলেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা।
বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় চারে আছেন দু’জন। ১৯৫৮ সালে ফ্রান্সের জাঁ ফন্তে এক আসরেই করেন রেকর্ড ১৩ গোল। যদিও দল চ্যাম্পিয়ন না হওয়ায় তার গোলবন্যা অনেকটাই বৃথা যায়। সমানসংখ্যক গোল করতে আর্জেন্টাইন ক্ষুদে জাদুকর লিওনেল মেসিকে খেলতে হয় ৫টি বিশ্বকাপ। তবে ২০২২ বিশ্বকাপের ফাইনালে জোড়া গোল আর শিরোপাজয় তাকে পাইয়ে দেয় স্বর্গীয় সুধা। এবারের বিশ্বকাপে মেসির সামনে সুযোগ থাকছে ক্লোসাকে ছাড়িয়ে ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার সুযোগও।
একই সুযোগ থাকছে সময়ের অন্যতম আলোচিত নাম কিলিয়ান এমবাপ্পের সামনেও। মাত্র ২ বিশ্বকাপ খেলেই ১২ গোল করে ফেলেছেন ফরাসী তারকা। একবার শিরোপা ছোঁয়ার স্বাদ পেয়েছেন। আরেকবার খেলেছেন ফাইনাল। বিশ্বকাপ এলেই অতিমানবীয় পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়া এমবাপ্পে এবার যুক্তরাষ্ট্রে পা রাখবেন দু’টো লক্ষ্য সামনে রেখে। দলকে শিরোপা জেতানো আর নিজেকে সেরাদের সেরার কাতারে নিয়ে যাওয়ার।





