এসময় ফিফা প্রেসিডেন্ট বলেছেন, যদিও ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরেইলের বিমান হামলার পর বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ অনিশ্চিত, তবুও বিশ্বকাপে তাদের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।
ইনফান্তিনো বলেন, ‘ইরান অবশ্যই খেলতে আসবে, হ্যাঁ।’ তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা আশা করছি, ওই সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ হবে। যেমনটি আমি বলেছিলাম, এটা অবশ্যই ভালো হতো, ইরানের আসতেই হবে। অবশ্যই তারা তাদের দেশের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে। তারা কোয়ালিফাই করেছে। খেলোয়াড়রা খেলতে চায়।’
ইনফান্তিনো জানান, তিনি দুই সপ্তাহ আগে ইরান জাতীয় দলের খেলা দেখতে তুরস্কের আন্তালিয়ায় গিয়েছিলেন এবং তিনি মুগ্ধ।
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘আমি তাদের দেখতে গিয়েছিলাম। তারা আসলেই একটা বেশ ভালো দল। তারা আসলেই খেলতে চায় এবং তাদের খেলা উচিতও। খেলোধুলাকে রাজনীতির বাইরেই রাখা উচিত।’
অবশ্য ইনফান্তিনো স্বীকার করেন যে, সবসময় খেলাধুলাকে রাজনীতি থেকে আলাদা রাখা সম্ভব হয় না।
উল্লেখ্য, এবারের বিশ্বকাপের আসরটি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজন করছে। ইরান বিশ্বকাপে খেললে সূচি অনুযায়ী তাদের গ্রুপ স্টেজের দুটি ম্যাচ খেলতে হবে ক্যালফর্নিয়ায় এবং আরেকটি সিটেলে।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে এ অনিশ্বয়তা তৈরি করেছে। এ নিয়ে ইরান সরকার এবং দেশটির ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থার সরাসরি কিছু মন্তব্য দ্বন্দ্ব তৈরি করেছে। এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান দলকে বিশ্বকাপে অংশ নিতে নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে অভয় দিয়েছেন।





