১ পারসেন্ট সম্ভাবনা আর ৯৯ পারসেন্ট আত্মবিশ্বাস নিয়ে জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখের দুর্গে পা রাখে চ্যাম্পিয়নস লিগের রাজা রিয়াল মাদ্রিদ। একবার নয় তিন তিনবার কামব্যাকের গল্প লিখেও শেষ পর্যন্ত হারের তিক্ত স্বাদ নিয়েই ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমানের মঞ্চ থেকে বিদায় নিলো লস ব্ল্যাঙ্কোসরা।
দুই ম্যাচের দুটিতেই হার আর দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৪ ব্যবধানে পিছিয়ে এ যাত্রায় কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই ছিটকে গেল দ্য মাইটি রিয়াল মাদ্রিদ।
এদিন, ঘরের মাঠে শুরুতেই হোচট খায় বায়ার্ন। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে অভিচ্ছেদ্য দেয়াল হিসেবে যার নৈপুণ্যে রিয়ালকে রুখে দিয়েছিলো জার্মান ক্লাবটি, সেই ম্যানুয়েল নয়ারের ভুলে প্রথম মিনিটেই গোল করে দলকে সমতায় ফেরান আলভারো আরবেলোয়ার শিষ্য আর্দা গুলার।
আরও পড়ুন:
তবে ঝড়ের বেগেই গোল করে পুনরায় লিড নেয় বায়ার্ন। ম্যাচের ৬ মিনিটে নেয়া কর্ণার কিক থেকে হেডে গোল করেন আলেকজান্দার প্যাভোলিচ। অ্যালিয়ান্স অ্যারেনা তখন পুরোদমে উজ্জীবিত।
ম্যাচের ২৯ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিকে আবারও গোল করে আবারও রিয়ালকে সমতায় ফেরান তরুণ তুর্কি গুলার। তবে ম্যাচের ৩৮ মিনিটে আরও একবার রিয়ালের স্বপ্ন ভঙ্গ হয় হ্যারি কেইনের গোলে।
বিরতির আগে দুই লেগ মিলিয়ে রিয়ালকে তৃতীয়বারের মতো সমতায় ফেরান কিলিয়ান এমবাপ্পে। তখনও মনে হচ্ছিলো শত্রুপক্ষের ডেরায় রেমোনতাদার গল্প লিখেই মাদ্রিদ ফিরবে রিয়াল।
বিরতির পর দুই দলই লিড নিতে একের পর এক আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণে জমিয়ে তোলে ম্যাচ। তবে সহজেই গোল করতে পারছিলো না কোনো দলই। ম্যাচের ৮৬ মিনিটে বিষাদ জেকে বসে রিয়ালের শিবিরে। ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখলে মাঠ ছাড়তে হয় সাবে নামা কামাভিঙ্গাকে। ১০ জনের রিয়ালকে ঠিক তখন থেকেই পেয়ে বসে বায়ার্ন।
১ জন কম থাকায় ফায়দা তোলে বায়ার্ন মিউনিখ। ম্যাচের ৮৯ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নেয়া শটে গোল কিপার লুনিনকে বোকা বানান লুইস দিয়াজ। এরপর আর ফেরা নয় উল্টো ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে মাইকেল ওলিসের গোলে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচেও জয় নিশ্চিত করে বায়ার্ন।
অন্যদিকে, অপর কোয়ার্টার ফাইনালে গোল-শূণ্য ড্র থাকলেও দুই লেগ মিলিয়ে ১-০ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্সেনাল।





