ম্যাচের ১৮ মিনিটেই ইরাককে আনন্দে ভাসান আলি আলমাহাদি। তবে হাল ছাড়েনি বলিভিয়া। ময়সেস পানিয়াগুয়ার গোলে ৩৮ মিনিটে সমতায় ফেরে দলটি। বিরতি থেকে ফিরে ইরাককে ফের এগিয়ে দেন আইমেন হুসেইন।
আরও পড়ুন:
৫৩ মিনিটে করা তার গোলেই এশিয়ার দেশটির বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত হয়। বাকি সময় একেরপর এক আক্রমণ করে গেলেও সাফল্যের দেখা পায়নি বলিভিয়া। এর ফলে ১৯৮৬ সালের পর আবারও বিশ্বকাপে খেলবে ইরাক।
আগামী ১১ জুন শুরু হবে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর। আই গ্রুপে ইরাকের সঙ্গে আছে ফ্রান্স, নরওয়ে ও সেনেগাল। ১৬ জুন ফক্সবোরোতে নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে ইরাক।





