২০০৫ সালে কার্ডিফে আশরাফুলের মহাকাব্যিক সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবার ওয়ানডেতে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। সময় বদলেছে, বদলেছে আশরাফুলের ভূমিকাও। ২০২৬ সালে ডারউইনে টাইগারদের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে কোচ হিসেবে ডাগআউটে ছিলেন তিনি। খেলোয়াড় থেকে কোচ-অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দু’টি ভিন্ন ইতিহাসের অংশ হতে পেরে আবেগাপ্লুত আশরাফুল।
তিনি বলেন, ‘নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে হয় আসলে যে, এত বড় একটা অ্যাচিভমেন্টে দলের সঙ্গে থাকতে পেরেছি। যখন ২০০৫ এ আমরা অস্ট্রেলিয়াকে হারালাম কার্ডিফে, ওই অস্ট্রেলিয়া টিমটা তো বেশ শক্তিশালী ছিলো। এবারের অস্ট্রেলিয়া টিমটাও চমৎকার ছিলো এবং তাদের মাঠে গিয়ে আমরা জিতেছি। তো দুটো দলের সঙ্গেই থাকতে পেরে ভালো লাগছে।’
ডারউইনে জয়ের পর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে চার নম্বরে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। শেষ সাত টেস্টে পাঁচটাতেই জয় পাওয়া আত্ববিশ্বাসী বাংলাদেশ দল, ইনজুরিমুক্ত থাকলে ভবিষ্যতে ম্যাচ ধরে ধরে সামনে এগিয়ে আরও ভালো করার কথা জানালেন এই ব্যাটিং কোচ।
আরও পড়ুন:
আশরাফুল বলেন, ‘ওয়েস্ট ইুন্ডজের সঙ্গে আমাদের হোমে দুটি ম্যাচ, তারপরে আমরা দক্ষিণ আফ্রিকায় যাবো। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের সবাই যদি সুস্থ থাকে, অবশ্যই আমরা ম্যাচ বাই ম্যাচ চিন্তা করছি।’
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বাইরে জাতীয় দলের এমন ধারাবাহিক সফলে খুশি আশরাফুল। এর নেপথ্যে গত ৮-১০ মাস ধরে ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভালো উইকেটে খেলার ইতিবাচক প্রভাব দেখছেন তিনি। একইসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তানজিদ হাসান তামিমের দুর্দান্ত সেঞ্চুরির ভূয়সী প্রশংসা করেন এই সাবেক অধিনায়ক।
তিনি আরও বলেন, ‘শেষ নয় মাস যাবৎ আমরা কিন্তু ভালো উইকেটে খেলছি। এ কারণেই ভালো ফলগুলো আসছে। প্রায় ৩ বছর ধরে সাদা বলের ক্রিকেটে তামিম ভালো করছে। বিশেষ করে শেষ ৯ মাসে যদি সাদা বলে তামিমের পারফরম্যান্স দেখেন, প্রায় ৪৫ অ্যাভারেজ ওয়ানডেতে, টি-টোয়েন্টিতে প্রায় ৩০, সাদা বলে দুইটা শতক করেছে।’
বাকি দেশগুলোর তুলনায় ঘরোয়া লিগে বাংলাদেশ এখনো অনেক কম ম্যাচ খেলে দাবি করে তা বাড়ানোর পরামর্শ দেন আশরাফুল।





