ফিক্সিং ইস্যুতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে বিসিবি: তামিম ইকবাল

তামিম ইকবাল
তামিম ইকবাল | ছবি: এখন টিভি
0

যথাযথ তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতেই বিপিএলের ফিক্সিং ইস্যুতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে বিসিবি, এমন দাবি করেছে তামিম ইকবাল। এর আগে বিপিএল আয়োজনে বোর্ডকে চাপ দিলেও এবার নিজে উল্টোপথে হাঁটার কারণও জানিয়েছেন বোর্ড সভাপতি। এছাড়া ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাচ ফি বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন টুর্নামেন্টের আভাসও দিয়েছেন তিনি।

বিপিএলের সবশেষ আসরে ম্যাচ ফিক্সিং ও দুর্নীতির দায়ে ৩ জনকে শাস্তি দিয়েছে বিসিবি। দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্টে ভবিষ্যতে যেন কোনো কালো দাগ না লাগে, তা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বোর্ড।

শাস্তি পাওয়া কর্তাদের কেউ কেউ গণমাধ্যমে নিজেদের ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন। তবে তামিম ইকবাল জানিয়েছেন, যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই ব্যবস্থা নিয়েছে বোর্ড।

বোর্ড সভাপতি তামিম ইকবাল বলেন, শাস্তি পাওয়া কর্তাদের কেউ কেউ গণমাধ্যমে নিজেদের ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন। তবে তামিম ইকবাল জানিয়েছেন, যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই ব্যবস্থা নিয়েছে বোর্ড। ক্রিকেট বোর্ডের মেন্টালিটিটাই এরকম—আমরা জানি যে আমরা এখানে ক্রিকেটারদেরকে সার্ভ করার জন্য। বাংলাদেশের ক্রিকেট যেরকম ঠিকভাবে যায়, বাংলাদেশের ক্রিকেটের যেরকম ডেভেলপমেন্ট হয়, বাংলাদেশের ক্রিকেটের যেরকম ফ্যাসিলিটিজ বাড়ে—এই মেন্টালিটি নিয়েই আসা। আমি প্রতিটা বারে বারে বলেছি, আমার বোর্ডের ডিরেক্টর যারা আছেন তারাও বারে বারে একটাই জিনিস বলেছেন, উই আর অনলি হেয়ার টু সার্ভ দ্য ক্রিকেটার্স।

নিজে ক্রিকেটার থাকাকালীন সময় তৎকালীন বোর্ডকে বিপিএল আয়োজনে চাপ দিয়েছিলেন তামিম। তবে নিজে বোর্ডপ্রধানের চেয়ারে বসে হাঁটছেন সাবেকদের নেয়া সিদ্ধান্তের পথে। এমনটা করার যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করেছেন তামিম।

তামিম ইকবাল বলেন,যখন আমি লাস্ট টাইম বিপিএল নিয়ে কথা বলেছি, তখন ফাইনান্সিয়াল লসের কিছু ফিগারও বলেছি। সাথে বিভিন্ন টাইমে আরো অনেক কিছু বলেছি, বাট আনফরচুনেটলি ওই ফাইনান্সিয়াল ইস্যুটাই হাইলাইটেড হচ্ছে, হুইচ আই ডোন্ট থিংক ইটস রাইট। যদি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের একটা সার্টেন অ্যামাউন্ট পর্যন্ত লস হয়, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওই অ্যাবিলিটি আছে ওই লসটা নেওয়ার। একটা নিট অ্যান্ড ক্লিন চেষ্টা করব বিপিএল করার, আবারও বলছি, চেষ্টা করবো।

বিপিএল স্থগিত হওয়ায় নিজেদের আর্থিক ক্ষতির কথা সামনে এনেছেন ক্রিকেটাররা। সংকট সমাধানে ঘরোয়া ক্রিকেটে নতুন টুর্নামেন্টের পাশাপাশি বেতন কাঠামো পুনর্বিন্যাস করছে বিসিবি।

তামিম ইকবাল বলেন, এখন থেকে ফার্স্ট ক্লাস ম্যাচে যেকোনো প্লেয়ার যখন খেলবে, দেড় লাখ টাকা করে পাবে। ওয়ানডে ক্রিকেটে ৫০ হাজার টাকা ছিল, ওটা ১ লাখ টাকা করে পাবে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৪০ হাজার টাকা করে ছিল, ওটা ৮০ হাজার টাকা করে পাবে। উইমেন্স—২০ হাজার টাকা কিন্তু আমি বাড়ানোর পর ছিল, ওটাকে এখন ৪০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। যেটা ১৫ হাজার টাকা ছিল—এগেইন, এটাকে কিন্তু বাড়ায় ১৫ হাজার করা হয়েছিল—ওটা এখন ৩০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। যেটা ১০ হাজার টাকা—এগেইন, এটাকে বাড়ায় ১০ হাজার করা হয়েছিল—ওটাকে এখন ২০ হাজার টাকা করে দেয়া হয়েছে।

ম্যাচ ফি ও অন্যান্য সুবিধা বাড়ানোর বিনিময়ে ক্রিকেটারদের কাছে পেশাদারিত্ব ও ফিটনেস নিয়ে সর্বোচ্চটা চায় বিসিবি।

ইএ