ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচগুলো লিস্ট ‘এ’ মর্যাদা পাওয়ার পর প্রথমবার মোহামেডানের শিরোপা জয়। দীর্ঘ ১৬ বছরের অপেক্ষার অবসানে ক্লাব প্রাঙ্গণে উৎসবের আমেজ। রাতেই কর্তাদের সঙ্গে দেখা করতে আসেন ক্রিকেটাররা।
ফুলেল শুভেচ্ছায় ক্রিকেটারদের বরণ করে নেন ক্লাবের সভাপতিসহ অন্যরা। দেড় দশকের বেশি সময় পর শিরোপা জেতায় বোনাসের দাবি ছিল ক্রিকেটারদের। তাদের হতাশ করেনি ক্লাব কর্তৃপক্ষও।
মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, ‘আপনাদের যে বোনাসের কথাবার্তা অনেকটা বলেছেন, মাসুদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। মাসুদ আপনাদেরকে ব্যক্তিগতভাবে ক্রিকেট টিমের চেয়ারম্যান হিসেবে সে ২৫ লাখ টাকা বোনাস হিসেবে দিবে। আর এই ১৫ লাখ টাকাও আপনাদের। আর আমরা বোর্ড তরফ থেকে আপাতত ৩০ লাখ টাকা আপনাদের দিচ্ছি।’
আরও পড়ুন:
প্রিমিয়ার লিগের শেষ দিনে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আগে মোহামেডানকে মেলাতে হয়েছে নানা সমীকরণ। সতীর্থদের ইচ্ছা আর সর্বোচ্চটা উজাড় করে দেয়ার কারণেই এমন সাফল্য এসেছে বলে মনে করেন দলের ওপেনার এনামুল হক বিজয়।
তিনি বলেন, ‘টিমটা যখন একটা অবস্থায় দাঁড়ায় তখনই আমাদের আসলে ভেতরে কাজ করছিল যে আমরা কীভাবে এই টিমটাকে চ্যাম্পিয়ন করাতে পারি। তো তখন থেকেই আসলে চ্যাম্পিয়ন চ্যাম্পিয়ন চ্যাম্পিয়ন ব্যাপারটা এবং খুব শর্ট। খেলা মাত্র ১১টা ম্যাচের মধ্যেই ডিসিশন হয়ে যাবে কে জিতবে, কে হারবে, কে চ্যাম্পিয়ন হবে। তো শর্ট ছিল, সঙ্গে আমাদের ডেডিকেশন, সবকিছু মিলে আবার লাস্ট ম্যাচ হেরে যাওয়া, তারপরে একটা সাসপেন্স ব্যাপার যে লাস্ট ম্যাচে কে জিতবে। এইগুলোর মধ্যে দিয়ে আসলে চ্যাম্পিয়ন হতে পারাটা, মজাটা অন্যরকম।’
সিঙ্গেল লিগ পদ্ধতিতে চ্যালেঞ্জ বেশি ছিল বলেই মনে করেন তাওহীদ হৃদয়। এখন টিভিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে চলমান ওয়ানডে সিরিজে অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশেরও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
তাওহীদ হৃদয় বলেন, ‘এবারের চ্যালেঞ্জটা বেশি ছিল, কারণ স্টেট লীগ হয়েছে। স্টেট লীগে যেকোনো দিন যেকোনো কিছু হয়ে যেতে পারে। একটা ম্যাচের ওপর অনেক কিছু ডিপেন্ড করে। চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে কিছু সময় লাকের প্রয়োজন হয়, সঙ্গে তো ভালো খেলতেই হয়। তো আলহামদুলিল্লাহ লাকও ফেভার করেছে, সবাই ভালো করেছে। আলহামদুলিল্লাহ চ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছি।’
এবারের সাফল্য আগামী মৌসুমেও ধরে রাখার প্রত্যয় ক্রিকেটার ও ক্লাব কর্তাদের।





