নির্বাচনের মাধ্যমে বিসিবির দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই ক্রিকেটকে বিকেন্দ্রীকরণের কথা জানিয়েছিলেন বোর্ড কর্তারা। লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশজুড়ে স্টেডিয়াম উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে বিসিবি।
প্রাথমিকভাবে দেশের আটটি স্টেডিয়ামকে ‘ফার্স্ট ফেজ ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান’-এর অংশ হিসেবে সংস্কার করা হবে। এগুলো হচ্ছে— বগুড়া, খুলনা, বরিশাল, কক্সবাজার, রাজশাহী, পূর্বাচল ও ফতুল্লা স্টেডিয়াম এবং বিকেএসপির মাঠ। বেশ কিছু লক্ষ্যকে সামনে রেখে উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে বিসিবি। যা প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাসুদ পাইলট।
বিসিবি পরিচালক খালেদ মাসুদ পাইলট বলেন, ‘আন্ডার সিক্সটিন, আন্ডার ফিফটি, আন্ডার ফোরটিন, তাদের ডিভিশন টিম প্র্যাকটিসে জায়গা পায় না, অনেক সময় সুযোগ সুবিধা পায় না। আমরা যদি এনাফ উইকেট বানিয়ে রাখি, তাহলে আমার মনে ওই ডিভিশনে হেডকোয়ার্টারে খুব সুন্দরভাবে ফ্যাসিলিটিস তারা পাবে।’
আরও পড়ুন:
সংস্কার পরিকল্পনায় প্রাথমিকভাবে প্রাধান্য পাবে পিচের সংখ্যা বাড়ানো। বিভিন্ন স্টেডিয়ামে কীভাবে এই কাজ এগিয়ে নেয়া হবে সেটিও জানান পাইলট।
খালেদ মাসুদ পাইলট বলেন, ‘ বগুড়ার মাঠটা গত ১৫ থেকে ১৬ বছরে তেমন ভালো মতো ইউজ হয়নি, কিন্তু আমার মনে আছে এখানে আমরা ইন্টারন্যাশনাল ম্যাচ খেলতাম, এটা চমৎকার একটা গ্রাউন্ড, এত সুন্দর একটা ফ্যাসিলিটি ছিল। ভিআইপির সামনে চারটা উইকেট আছে, আরও চারটা করবো আমরা এবং সাইডেও আমরা ছয় থেকে সাতটা উইকেট বানানো হবে।’
সারাদেশকে ১১টি হাবে বিভক্ত করে সেগুলোতে ক্রিকেট সরঞ্জাম ও মাঠ রক্ষণাবেক্ষণের যন্ত্রপাতি পাঠাবে বিসিবি। এছাড়া ২০২৬ সালের জুনের মাঝেই দেশের নানা স্টেডিয়ামে সবমিলিয়ে ১৩৭টি নতুন পিচ তৈরি করবে দেশের ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা।
সবমিলিয়ে দেশের ক্রিকেটকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে বদ্ধপরিকর বিসিবি। লক্ষ্য পূরণে স্টেডিয়াম সংস্কারের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নিচ্ছে বোর্ড।





