বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টির প্রথম ম্যাচ কিংবা প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলের অংশ নাদিফ চৌধুরী। তিনি জানালেন উপমহাদেশের ক্রিকেট আর রাজনীতির যোগাযোগ নিয়ে নিজের হতাশার কথা। বিশ্বকাপের আগে মুস্তাফিজকে আইপিএল থেকে সরিয়ে দেয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে হতাশ সাবেক এ ক্রিকেটার।
যদিও ক্রিকেটের সঙ্গে রাজনীতির যোগাযোগ একেবারেই নতুন কিছু নয়। ২০১২ সালের পর থেকে রাজনৈতিক বৈরীতায় বন্ধ ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট। যদিও আইসিসি কিংবা এসিসির সূচিতে বাণিজ্যিক প্রয়োজনে নিয়মিত ক্রিকেট খেলছে দুই দল। এবার সেই একই পথের যাত্রী হতে পারে বাংলাদেশও।
বিসিবি পরিচালক খালেদ মাসুদ পাইলট বলেন, ‘বোর্ড যেটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটা খুবই সুন্দর এবং সরকারও খুব সুন্দর একটা তথ্য জানিয়েছে। সব মিলিয়ে খুবই ভালো সিদ্ধান্ত। একজন খেলোয়াড়কে যদি আপনি সিকিউরিটি দিতে না পারেন একটা দেশে, বাংলাদেশ দল ২৫ থেকে ৩০ জনের একটা দল নিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে যাবে, এতগুলো খেলোয়াড় যাবে, তখন তাদের নিরাপত্তা আপনি কীভাবে দেবেন?’
আরও পড়ুন:
বাংলাদেশে ক্রিকেট দলের সাবেক ক্রিকেটার নাদিফ চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়টা একটু খারাপের দিকেই যাচ্ছে। আমার মনে হয় এটা হওয়া উচিত নয়। ক্রিকেটের সঙ্গে তো এসব মেলানো একেবারেই উচিত নয়, যেটা পাকিস্তানের সঙ্গে হয়েছে। তবে পাকিস্তানের খেলোয়াড়রা তো কিছু করেনি।’
অবশ্য খালেদ মাসুদ পাইলট বিশ্বাস করেন, আইসিসি এগিয়ে আসলে খেলা দিয়েই সব জটিলতার ইতি ঘটানো সম্ভব।
খালেদ মাসুদ পাইলট বলেন, ‘আমি মনে করি নিজের পায়ে দাড়ানো উচিত। আমরা আমাদের মতো করে চলবো, আমাদের মতো খেলবো। আইসিসি এই বিষয়টি ঠিক করার ব্যবস্থা করবে যে, কী করে আবার দুইটা দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্ক ডেভেলপ করা যায় এবং সেটা খেলার মাধ্যমেই সম্ভব।’
সাবেকদের হতাশা কিংবা প্রত্যাশার পারদ উঁচুতে থাকলেও সহসাই যে ক্রিকেট-রাজনীতির বিচ্ছেদ হচ্ছে না, সেটাও অনেকটাই নিশ্চিত।





