গেল বিপিএলে ফিক্সিংয়ের গুঞ্জন ওঠার পর থেকেই টালমাটাল দেশের ক্রিকেট। স্বাধীন তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনেও উঠে আসে গুঞ্জনের সত্যতা। এ নিয়ে দিশেহারা ক্রিকেট বোর্ড এবার গঠন করতে যাচ্ছে আলাদা রিভিউ কমিটি। তারাই ঠিক করে দেবেন বিসিবির পরবর্তী পদক্ষেপ।
নাজমুল আবেদিন ফাহিম বলেন, ‘বিপিএলে যারা যারা অনুসন্ধান করেছেন, তাদের যে রিপোর্ট এসেছে সেটার ওপরে তারা রিভিউ করবেন এবং বোর্ডকে জানাবেন যে বোর্ডের করণীয় কী। এখানে অনেক লিগ্যাল ইস্যু থাকে। একারণে যে কমিটি করা হয়েছে সেখানে লিগ্যাল সাইডের লোকজনের প্রাধান্য আছে। চার সদস্যের একটা কমিটি করা হয়েছে। বাইরের এবং ভেতরের দুই ধরনের লোকই থাকবে। এখানে মূল কাজটা হবে যারা আইন বিশেষজ্ঞ তাদের।’
ফিক্সিং-জুয়াসহ বিতর্কিত কর্মকাণ্ড থেকে ক্রিকেটকে সুরক্ষা দিতে চায় আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বোর্ড। এবার সেজন্য জাতীয় ক্রিকেট লিগ থেকেই নেয়া হচ্ছে পদক্ষেপ।
আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘এনসিএলে যতগুলো ক্রিকেটার আছে, আমরা চেষ্টা করবো এন্টি কোরাপশনের বিস্তারিত বাংলায় করে সবাইকে একটা ক্লাস নেয়া হবে, তাদের বোঝানো হবে, তাদের একটা ফর্মে সই করতে হবে। তারপর তারা খেলতে পারবে। আর পরবর্তী স্টেপ আমরা যেটা করছি সেটা হচ্ছে, অক্টোবর থেকে তৃতীয় বিভাগ খেলা শুরু হচ্ছে। আমরা চাই বিসিবির ফান্ডেড যেকোনো ইভেন্ট এন্টি কোরাপশনের সবকিছু ক্রিকেটারদের শেখাবো, তারা বুঝবে, সই করবে তারপর তাদের খেলতে দেয়া হবে।’
ঘরোয়া ক্রিকেটকে সুরক্ষিত করার চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি আঞ্চলিক ক্রিকেটকে গতিশীল করার কথাও ভাবছে বিসিবি। তারই অংশ হিসেবে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামকে ক্রিকেট মাঠে রূপান্তর করতে চান বুলবুলরা।
তিনি বলেন, ‘এখন ক্রিকেটে খেলার পরিমাণও অনেক বেড়ে যাচ্ছে এবং বেড়ে যাবে। আমরা খুব শিগগিরই ইনশাআল্লাহ সিলেটে রিজিওনাল ক্রিকেট সেন্টার স্থাপন করতে যাচ্ছি যখন সবগুলো মাঠই আমাদের প্রয়োজন হবে।’
এদিকে টি-টোয়েন্টি ইনিংস খেলতে আসা আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবার ভাবছেন টেস্ট খেলার কথা। আসন্ন বিসিবি নির্বাচনে অংশ নেয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

 Cadre Specialist Physician Forum forms a human chain-320x167.webp)



