আরও পড়ুন:
রমজান শুরু, শবে কদর ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ (Ramadan Start Shab e Qadr Eid ul Fitr Date 2027)
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব ও ঘোষিত বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ২০২৭ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতরের সময়সূচি নিচে উল্লেখ করা হলো:
- রমজান মাস শুরু: ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে (Ramadan start date 8 February 2027)। এর আগের দিন অর্থাৎ ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় প্রথম তারাবিহ নামাজ পড়া হবে এবং শেষ রাতে সেহরি খাওয়া হবে।
- পবিত্র শবে কদর (লাইলাতুল কদর): রমজান মাসের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ রাত 'লাইলাতুল কদর' বা শবে কদর পালিত হবে ৫ মার্চ (শুক্রবার) দিবাগত রাতে (Shab e Qadr date 5 March 2027)।
- পবিত্র ঈদুল ফিতর: মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা শেষে আগামী ৯ বা ১০ মার্চ উদযাপিত হতে পারে মুসলিমদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর (Eid ul Fitr date March 2027)।
আরও পড়ুন:
ঈদুল আজহা ও আরাফাতের দিন (Eid ul Adha and Day of Arafah 2027)
ক্যালেন্ডারের তথ্যানুযায়ী, ২০২৭ সালের ঈদুল আজহার (কোরবানির ঈদ) সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে:
- আরাফাতের দিন: ১৫ মে পালিত হবে পবিত্র আরাফাতের দিন (Day of Arafah date 15 May 2027)।
- ঈদুল আজহা উদযাপন: আগামী ১৬ মে থেকে ১৮ মে পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে (Eid ul Adha dates 16 to 18 May 2027)।
হিজরি বর্ষপঞ্জির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসসমূহ (Important Islamic Days and Shab e Barat 2027)
২০২৭ সালের হিজরি সনের অন্যান্য প্রধান ধর্মীয় দিন ও রাতের সম্ভাব্য তারিখসমূহ:
- পবিত্র শবে মেরাজ: ৪-৫ জানুয়ারি দিবাগত রাতে পালিত হবে (Shab e Meraj date 4 January 2027)। এ ছাড়া বছরের শেষে ২৪-২৫ ডিসেম্বর শবে মেরাজের আরেকটি সম্ভাব্য তারিখ নির্দেশ করা হয়েছে।
- পবিত্র শবে বরাত: ২২-২৩ জানুয়ারি দিবাগত রাতে পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে (Shab e Barat date 22 January 2027)।
- পবিত্র আশুরা: ১৫ জুন পালিত হবে ১০ মহররম বা পবিত্র আশুরা (Holy Ashura date 15 June 2027)।
- ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.): ১৪-১৫ আগস্ট মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মবার্ষিকী বা ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে (Eid e Miladunnabi date 14 August 2027)।
চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীলতা (Moon Sighting Precondition)
ঘোষিত এই সকল ধর্মীয় উৎসব ও ছুটি জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের হিসাবের ভিত্তিতে তৈরি করা হলেও, ঐতিহ্যগতভাবে নতুন চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করেই রমজান ও ঈদের চূড়ান্ত তারিখ এক দিন আগে বা পরে নির্ধারিত হবে।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:


