মহান আল্লাহতায়ালা লাইলাতুল কদরের রাতকে অনন্য মর্যাদা দিয়েছেন। হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও এ রাতের ইবাদত উত্তম। এই রাতে আল্লাহর অশেষ রহমত ও নিয়ামত বর্ষিত হয়। পবিত্র এই রাতে ইবাদত-বন্দেগীর মাধ্যমে আমরা মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারি। অর্জন করতে পারি তার অসীম রহমত, নাজাত, বরকত ও মাগফেরাত। পবিত্র শবে কদরের রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আল্লাহর নৈকট্য ও রহমত লাভের আশায় ইবাদত বন্দেগি করবেন।
পবিত্র রমজান মাসে লাইলাতুল কদরে পবিত্র আল কোরআন নাজিল হয়েছিল। তাই মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা দিবাগত রাতে মসজিদসহ বাসা-বাড়িতে এবাদত বন্দেগিতে মশগুল থাকবেন। এ রাতে মুসলমানগণ নফল নামাজ আদায়, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, জিকির-আসকার, দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও আখেরি মোনাজাত করবেন।
পবিত্র শবে কদর উপলক্ষে পরেরদিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ উপলক্ষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সব মসজিদে রাতব্যাপী ওয়াজ মাহফিল, ধর্মীয় বয়ান ও আখেরি মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে।
পবিত্র শবে কদর (লাইলাতুল কদর) উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসী ও বিশ্বের মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন। বাণীতে তিনি লাইলাতুল কদরের অসীম রহমত ও বরকত কামনা করে এই রাতের শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে শান্তি, ন্যায় ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
তারেক রহমান পবিত্র লাইলাতুল কদরকে হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ ও মহিমামণ্ডিত রাত হিসেবে অভিহিত করেন, যা মানবজাতির জন্য ক্ষমা ও রহমতের বার্তা নিয়ে আসে।
মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে বেশি বেশি ইবাদত, নফল নামাজ ও দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে রাতটি কাটানোর জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে পবিত্র শবে কদরের পবিত্রতা ও তাৎপর্য অনুধাবন করে সবাইকে মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করারও অনুরোধ জানিয়েছেন।





