গতকাল (বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে বিভিন্ন জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে এ ফলাফল জানা গেছে।
খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার পরাজিত হয়েছেন। এই আসনে তার চেয়ে ২ হাজার ৭০২ ভোট বেশি পেয়ে জয়লাভ করেছেন বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ আলি আসগার লবি।
বৃহস্পতিবার রাতে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার আ স ম জামসেদ খোন্দকার ফলাফল ঘোষণা করেন। ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, বিএনপির সাবেক এমপি ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক সভাপতি আলি আসগার লবি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬৫৮ ভোট। অন্যদিকে, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে জামায়াতের সাবেক এমপি গোলাম পরওয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৪ হাজার ৯৫৬ ভোট।
কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে বিএনপি প্রার্থীর কাছে বড় ব্যবধানে হেরে গেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৬৩৪ ভোট।
আরও পড়ুন:
এ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৬২ ভোট। বৃহস্পতিবার রাতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আ. মান্নান এ ফল ঘোষণা করেন।
উল্লেখযোগ্য যে, হামিদুর রহমান আযাদ ২০০৮ সালের নির্বাচনে এ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। অন্যদিকে, আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে এই আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হন।
সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই ও শাল্লা) আসনে বিএনপির প্রার্থী নাছির চৌধুরীর কাছে পরাজয় মেনে নিয়ে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ শিশির মনির। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে শিশির মনির লিখেন, ‘আমার আসনে বিজয়ী ধানের শীষ প্রার্থী জনাব নাসির উদ্দিন চৌধুরীকে অভিনন্দন। আপনাকে ফুলেল শুভেচ্ছা।’ নাছির চৌধুরীর প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট রুদ্র মিজান জানান, রাত ৮টা পর্যন্ত ১১১টি কেন্দ্রের মধ্যে ৮৮টি কেন্দ্রের ফল পাওয়া গেছে। এতে নাছির চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে ৭৪ হাজার ২৮৯ ভোট এবং শিশির মনির ৪২ হাজার ৪৬৭ ভোট পেয়েছেন। ওই সময় পর্যন্ত নাছির চৌধুরী ৩১ হাজার ৮২০ ভোটে এগিয়ে ছিলেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা নাছির চৌধুরী বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য। তিনি ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে পরাজিত করে প্রথমবার এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন।





