আজ (শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফেনীর পরশুরাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মুন্সি রফিকুল আলম মজনু বলেন, ‘এলাকার দীর্ঘদিন আমাদের ভোটের অধিকার ছিল না, উন্নয়নও হয়নি। কে কী করেছেন, সেটা নিয়ে কথা বলতে চাই না। এলাকার মানুষের যা যা প্রয়োজন, তা আপনাদেরকে সঙ্গে নিয়ে আমি করে দেখাতে চাই। মা খালেদা জিয়ার অঙ্গীকার আমার জীবন দিয়ে হলেও বাস্তবায়ন করবো।’
তিনি বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী মূল্যবোধ বিশ্বাসীদেরকে সম্মান করতে চাই, মা-বোনদের জন্য সুন্দর সমাজ উপহার দিতে চাই। আমরা যার যার ধর্ম পালন করবো, আমরা কারো ধর্মের বাধা সৃষ্টি করবো না। সবাই মিলে আমরা সবাইকে এক কাতারে আনতে চাই। এ এলাকার মানুষ খালেদা জিয়াকে ভালোবাসে, সম্মান করে। এ এলাকার উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করবো।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্বপ্নের বাংলাদেশ, এক্ষেত্রে কোনো দল-মত বুঝি না। আমাদের দল সরকার গঠন করলে মানুষের প্রয়োজনের কাজগুলো আমরা সম্পন্ন করবো। নার্সিং ইনস্টিটিউট, মেডিকেল কলেজ, তিনটি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ, ফেনী-বিলোনিয়া রেল লাইন চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করবো।’
আরও পড়ুন:
পরশুরাম উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল হালিম মানিকের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু তালেব। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক রেহানা আক্তার রানু, সহ-গ্রাম বিষয়ক সম্পাদক বেলাল আহমদ, জেলা আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার। মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অবসরপ্রাপ্ত সুবেদার মিজানুর রহমান মিন্টু ও জমিয়তে উলামায়ে দলের পক্ষে মাওলানা আবুল খায়ের মাসুম।
এছাড়াও পৌর সদস্য সচিব মাহবুবুল হক মজুমদার ও উপজেলা যুগ্ম-আহবায়ক আবদুল আলিম মাকসুদের যৌথ পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইব্রাহিম খলিল মনি, পৌর আহবায়ক ইউসুফ মাহফুজ, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক তানজিনা আক্তার এলিনা, ছাত্র অধিকারের জেলা সভাপতি ইউসুফ বাপ্পী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সফিকুর রহমান, পৌর যুবদল যুগ্ম-আহ্বায়ক মিসফাকুস সামাদ রনি।
জনসভায় জমিয়তে উলামায়ে নেতারা ধানের শীষের প্রার্থীকে সমর্থন জানান এবং জাতীয় পার্টির কয়েকজন নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেন।
উল্লেখ্য, ফেনী-১ (ছাগলনাইয়া, পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলা) আসনে ১৯৯১ সাল থেকে খালেদা জিয়া টানা পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনবার প্রধানমন্ত্রী ও দুইবার বিরোধী দলীয় নেতা ছিলেন।





