আজ (শুক্রবার, ৬ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নবগঠিত এ কমিটির সদস্যরা সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
তাদের প্রধান দায়িত্ব হবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রাজনীতি-সচেতন তরুণদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা, জুলাইয়ের শহিদ পরিবার, আহত যোদ্ধা ও নীরবে থাকা সক্রিয় আন্দোলনকর্মীদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে নতুন নেতৃত্ব গড়ে তোলা এবং একই সঙ্গে একটি দায়িত্বশীল ও অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংগঠনকে সারা দেশে বিস্তৃত করা।
আরও পড়ুন:
অলটারনেটিভসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, নতুন রাজনৈতিক চিন্তার বিকাশ এবং জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার হৃত স্বপ্ন পুনরুদ্ধার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্য সামনে রেখে ন্যাশনাল অর্গানাইজিং কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা আগামী দিনে দেশব্যাপী সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
কমিটির সদস্যরা পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন জেলায় সাংগঠনিক যোগাযোগ ও সংলাপের মাধ্যমে ছাত্র-শ্রমিক-কৃষক-জনতাকে এক করে সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলার কাজ এগিয়ে নেবেন বলেও এ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
ন্যাশনাল অর্গানাইজিং কমিটির সংগঠকরা হলেন (বর্ণানুক্রমিক)—আহমদ ইবনে আরিফ (অনি), ইমন সৈয়দ, ইমরান আহমেদ, জাহিন ফারুক আমিন, তানভীর চৌধুরী, ডা. তাজনুভা জাবীন, দুর্জয় দাশ গুপ্ত, ফরহাদুল আলম সবুজ, মাহফুজ আলম, মায়িদা তানহা বিদুষী, মুতাসিম বিল্লাহ, মনিরুজ্জামান, মো. রায়হানুর রহমান (রাবি), মোহাম্মাদ এরফানুল হক, সাজ্জাদ হোসেন শহীদুল্লাহ, শেখ ফরিদ ও হাসান আলী।





