আজ (শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) পক্ষ থেকে আয়োজিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, ‘জামায়াত, এনসিপি, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোকে অভিনন্দন জানাই। নির্বাচনে অংশ নেয়া সবগুলো রাজনৈতিক দলের ধারণা এবং দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি ও রাষ্ট্র কাঠামো থেকে আমরা শুরু করছি। আর কোনো অপশক্তি যেন ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে না পারে, সেজন্য আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকবো। সরকার ও বিরোধীদলের অবদানে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে বলে বিশ্বাস করি। মত ও চিন্তা ভিন্ন হলেও দেশের স্বার্থে সবাই এক ‘
নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘নোট অব ডিসেন্টসহ জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা হয়েছে, ইশতেহারও সেগুলো উল্লেখ করেছি। জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গিকার আমরা বাস্তবায়ন করবো।
আরও পড়ুন:
তার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘এমন মুহূর্তে বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতি আমাদের ভারাক্রান্ত করেছে। তিনি দেশ ও জাতির স্বার্থে ছিলেন অটল ও অবিচল।’
দলের নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশ গঠনে নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। শত উসকানির মুখেও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে শান্ত থাকতে নেতাকর্মীদের আহ্বান জানানো হয়েছে। কোনো অপশক্তি যেন নির্বাচনের পর কোনো অপ্রিতিকর পরিস্থিতি তৈরি না করে, সেজন্য বিজয় মিছিল করতে নিষেধ করা হয়েছে।’
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘যেকোনো মূল্যে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখা হবে, কোনো বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না। ন্যায়পরায়ণতা হবে আদর্শ, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা না করতে পারলে ব্যর্থ হবে দেশ।’
বিএনপি ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘জনগণকে কনভিন্স করাই হয়েছে আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং।’
এই মুহূর্তে অর্থনৈতিক অবস্থা ঠিক করা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সব প্রতিষ্ঠানকে রাজনীতিকরণ থেকে মুক্ত ও সুশাসন নিশ্চিত করাই প্রধান চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেন তিনি।





