শেষ সপ্তাহে রাজধানীতে নির্বাচনি প্রচারণা, গণসংযোগ, ইশতেহার নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে। উৎসবের আমেজে চলছে শেষ সময়ের প্রচার। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়েছেন তাদের প্রত্যাশার কথা শুনছেন প্রার্থীরা, দিচ্ছেন নানা আশ্বাস।
ঢাকা-১১ আসনে নির্বাচনি গণসংযোগ চালান মির্জা আব্বাস। প্রচারে নির্বাচনে কারচুপির মাধ্যমে ফল পরিবর্তনের শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
একই আসনে প্রচারণা চালান ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারী। অভিযোগ করেন, বেশিরভাগ আসনে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের মনোনয়ন দিয়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছেন বিএনপি।
বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেন, ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে ফলাফল পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে। কারণ এ সরকারের বিশেষ বিশেষ জায়গায় বিশেষ বিশেষ লোকগুলো বসে আছে।’
আরও পড়ুন:
১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘সন্ত্রাস থাকাকালীন কোনো কম্প্রোমাইজ হবে না। এটা শুধু মির্জা আব্বাস না, ৩০০ আসনেই তারেক রহমান এসব গডফাদারদের দিয়েছেন।’
ঢাকা-৬ আসনে প্রচার চালান জামায়াত প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদিন। বলেন, তার দলই নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে। ঢাকা-৯ আসনে প্রচারে বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, দিন বদলে যারা কাজ করবে তাদেরই দেশের নেতৃত্বে আনবেন ভোটাররা।
ঢাকা-৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, ‘আমরা যারা প্রার্থী হয়েছি আমরা সবাই সেবা দিতে এসেছি। দায়িত্বপালন করতে এসেছি। আমরা কোনো অসুস্থ রাজনীতির অংশ না।’
জামায়াত প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদিন বলেন, ‘আমাদের বোনেরা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে বা ১১ দলীয় জোটকে বেশি ভোট দিবে ইনশাআল্লাহ।’
তবে, ভোটাররা বলছেন, এবারের নির্বাচনে দল বা প্রতীক নয়, যোগ্যতা দেখেই ভোট দেবেন তারা।





