জনগণের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসময় জামায়াত আমির বলেন, ‘যখন নির্বাচন আসবে নতুন রঙ ধারণ করে সুন্দর সুন্দর কথা নিয়ে আমরা হাজির হবো না। আমরা তাই না। আপনারা সাক্ষী সাড়ে ১৫ বছর আমাদের ওপর এতো জুলুম হওয়ার পরেও আমরা একদিনের জন্য জনগণকে ছেড়ে কোথাও আমরা যাইনি। এই মাটি কামড় দিয়েই আমরা ছিলাম। আল্লাহ আমাদেরকে রেখেছিলেন। দফায় দফায় জেলে গিয়েছি ঘরবাড়ি ছাড়া হয়েছি। অফিসে ঢুকতে পারিনি। তবে বাংলাদেশে ছিলাম। কথা দিচ্ছি বাংলাদেশ ছেড়ে কোথাও যাবো না ইনশাল্লাহ। আছি থাকবো আপনাদের সুখেও থাকবো। ইনশাল্লাহ দুঃখেও থাকবো।’
আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘একটি সুষ্ঠু নির্বাচন এ জাতি আগামী ১২ তারিখ আদায় করে ছাড়বে।’
কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, ‘আমরা অনেক জায়গায় শুনতে পাচ্ছি যারা আমাদের মতো মুজলুম ছিলো সাড়ে ১৫ বছর। তারা এখন ভিন্ন ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। মানুষকে কষ্ট দিচ্ছেন, চাঁদাবাজি করছেন, দুর্নীতি করছেন, মামলা বাণিজ্য, দখল বাণিজ্য করছেন। শুধু তাই না। এখন নির্বাচন সামনে রেখে সম্ভাব্য নির্বাচনি এজেন্টদের ঘরে ঘরে গিয়ে নাকি তারা হুমকি দিচ্ছেন। ভুলে যান সেদিনের কবর রচনা হয়ে গেছে। আমার ভোট আমি দেব তোমারটাও আমি দেব এ দিন আর নেই। গায়ের শক্তি কালো টাকা, ইঞ্জিনিয়ারিং কোনো কিছুই এবার কাজে আসবে না।’
আরও পড়ুন:
যুবকদের উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, ‘যে যুবকরা বুক চিতিয়ে খালি হাতে মুক্তি আনতে পেরেছে, সেই যুবকরা ১২ তারিখেও বিজয় লাভ করবে। যুব সমাজ তোমরা আমাদের কাছে সেদিন মিছিল করে কারো কাছেই বলোনি আমাদের আগামীতে বেকার ভাতা দিতে হবে। আমাদের যুবকরা বেকার ভাতা চায় না। যুবকরা কাজের অধিকারের জন্য লড়াই করেছিলো। আমরা কথা দিচ্ছি তোমাদের হাতকে শিক্ষা আর প্রশিক্ষণ দিয়ে ভরে দেবো ইনশাল্লাহ।’
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘র্যাব, পুলিশ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যারা আছেন তাদের রাত নেই দিন নেই, কখন কোথায় থেকে কোন ডাক আসে কোনো ঠিকানা নেই। তার বেতন আর আমার বেতন এক হওয়া উচিত নয়। সবাইকে সমান দেয়ার নাম ন্যায় বিচার নয়। যার যেটি ন্যায্য পাওয়া সেটিই দিতে হবে। এর নাম ন্যায়বিচার।’
গণভোটের প্রসঙ্গে জামায়াতে এই নেতা বলেন, ‘দুটি ভোট আজকে আপনাদের কাছে চাই। জুলাইযোদ্ধাদের সম্মান করার জন্য তাদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য গণভোট। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি ‘না’ মানে গোলামী।’





