কোনো রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, ‘দুঃখের বিষয় যারা জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়েছিলো তাদের ভাষায় একটি রাজনৈতিক দল কথা বলছে। জনগণ সেই রাজনৈতিক দলটিকে গুপ্ত নামে চিনে।’
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দেশে নতুন জালিমের আবির্ভাব হয়েছে। গুপ্ত দলের লোকেরা জালিম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বাংলাদেশে নারী পুরুষ মিলে মাঠে কাজ করে। নতুন জালিম যাদের মানুষ গুপ্ত হিসেবে চিনে সেই জালিমদের নেতা নারীদের নিয়ে কলঙ্কিত শব্দ ব্যবহার করেছে। এরা ইসলামের রাজনীতি করে কিন্তু এরা নারীদের নিয়ে কীভাবে কলঙ্কিত শব্দ ব্যবহার করে।’
জুলাইয়ে শহীদের পরিবারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘যারা গুম খুন ও জুলাইয়ে শহীদ ও আহত হয়েছে তাদের প্রত্যাশা ছিলো বাংলাদেশের মানুষের ১৬ বছর থেকে যে অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছিলো সে অধিকার ফিরে পেতে তারা গুমের শিকার, হত্যার শিকার হয়েছে।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘বিগত ১৫ বছর আমরা দেখেছি জনগণের ভোট নিয়ে কীভাবে নিশিরাতে হয়েছে। আমরা দেখেছি কীভাবে জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়ে ডামি নির্বাচন করা হয়েছে। নিশিরাতের নির্বাচন যারা করেছে জনগণের প্রতিরোধে তারা পালিয়েছে। এখন বাংলাদেশ জনগণের বাংলাদেশ, এখন দেশ চলবে জনগণের রায়ের ওপর।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণ ১২ ফেব্রুয়ারি তাদের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচন করবে। যারা জবাবদিহি করার মাধ্যমে দেশ পরিচালনা করবে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘জালিমদের নেতা প্রকাশ্যে বলেছে বাংলাদেশের নারীদের অত্যন্ত কলঙ্কিত শব্দ ব্যবহার করেছে। যেই দলের দেশের মা বোনদের প্রতি শ্রদ্ধা নেই, তাদের কষ্টের প্রতি সম্মান নেই তাদের থেকে বাংলাদেশের অগ্রগতি আশা করা যায় না।’
নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে বরিশাল সফর শেষে ফরিদপুর যাবেন তিনি। সেখানে দুপুর ২টায় শহরের রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে তার।





