এসময় জেলা গণফোরামের সভাপতি সেলিম আকবর বলেন, ‘শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক চাঁদপুরের পাঁচ লাখ ভোটারের অভিভাবক হবেন। তিনি জনগণের জন্য কাজ করবেন, আমরা তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
তিনি বলেন, ‘আমরা দলীয়ভাবে তাকে সমর্থন দিয়ে বিজয়ী করে আনবো। এরপর সবাই মিলে একটি সুন্দর চাঁদপুর গড়ে তুলতে পারবো।’
সভায় জেলা বিএনপির সভাপতি ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেন, ‘গণফোরাম ২০১৮ সাল থেকেই বিএনপির সঙ্গে রয়েছে। তারা আমাদেরকে সমর্থন দিয়েছে—এ জন্য আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।’
তিনি বলেন, ‘ড. কামাল হোসেন, যিনি নিজ হাতে বাংলাদেশের সংবিধান রচনা করেছেন, তাকে শেখ হাসিনা অপমান করেছেন। তখন যদি শেখ হাসিনা ড. কামালের কথা শুনতেন, তাহলে আজ তাদের এ পরিস্থিতি হতো না।’
সেলিম আকবরের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে তিনি আরও বলেন, ‘আপনাদের সবার সমর্থন ও সহযোগিতায় যদি আমি চাঁদপুর-৩ আসনে এমপি নির্বাচিত হই, তাহলে ধরে নেবেন তারেক রহমানও এ দেশের প্রধানমন্ত্রী।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচিত হলে চাঁদপুরের উন্নয়নে সেলিম আকবরের গুরুত্বপূর্ণ অবদান থাকবে এবং গণফোরাম ও বিএনপির মধ্যে কোনো তফাৎ থাকবে না—আমরা সবাই এক।’
আরও পড়ুন:
২০১৮ সালের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেন, ‘তৎকালীন সময়ে একটি দল আমার বাড়িঘর ভাঙচুর করেছিল। তখন সাংবাদিকদের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত সাহসী। অনেক সাংবাদিক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লাইভসহ সংবাদ পরিবেশন করেছেন।’
এজন্য তিনি সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, ‘এবারের নির্বাচন কোনো থ্রেডের নির্বাচন নয়, এটি একটি সহজ-সরল নির্বাচন। আমরা চাই একটি ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার নির্বাচন হোক।’
এসময় তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদেরকে ধানের শীষ প্রতীকের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান। এসময় বিএনপি প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক গণফোরামের প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর পাশাপাশি সকলের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন।
সভায় বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সলিম উল্লাহ সেলিম, জেলা গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবু, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুনির চৌধুরী, গণফোরামের যুগ্ম সম্পাদক বাসুদেব মজুমদারসহ চাঁদপুর জেলা বিএনপি ও জেলা গণফোরামের নারী নেত্রীরা এবং অন্যান্য নেতারা।




