নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘যতই শক্তিশালী হোক না কেন, তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো। সমাজের সবচেয়ে উপরস্থ কর্মকর্তা ব্যক্তি উনি। সকাল বেলা উঠে আল্লাহর নাম নিয়ে চাঁদাবাজি শুরু করে।’
তিনি বলেন, ‘এখানে অনেকগুলা অসভ্য মানুষদের পাল্লায় পড়েছি। কথা বলে গ্যাংস্টারদের ভাষায়। জুনিয়রদেরকে ভালোবাসা ও সম্মান দিতে শিখেনি। একটা আইয়ামে জাহেলিয়াতে আছি। পাকিস্তানের একজন গ্যাংস্টার আছে দাউদ ইব্রাহিম, তেমনি এখানেও এ ধরনের দাউদ ইব্রাহিমরা চলে এসেছে।’
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, ‘ভোটের মাধ্যমে আপনারা তাদেরকে সভ্য করবেন। ভোটের মাধ্যমে আগামী ১২ তারিখে আমরা আইয়ামে জাহেলিয়া থেকে মুক্ত হতে চাই। ভোটের মাধ্যমে আমরা যারা মানুষের সঙ্গে বেয়াদবি করছে, সন্ত্রাসী আচরণ করছে— আমরা তাদের থেকে মুক্ত হতে চাই।’
নির্বাচনি ইশতেহার উল্লেখ করে পাটওয়ারী বলেন, ‘শিক্ষা, স্বাস্থ্য যে অধিকারগুলো রয়েছে, ড্রেনেজ ব্যবস্থা রয়েছে এবং এখানে কাঁচাবাজারের সংকটগুলা রয়েছে। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, শহিদ ওসমান হাদির বিচার— এগুলা নিয়ে কাজ করবো। তবে এক নম্বর এজেন্ডা ঢাকা-৮ এ শহিদ ওসমান হাদির বিচার। দুই নাম্বার হলো সন্ত্রাস, তারপরে মাদকমুক্ত, চাঁদাবাজ মুক্ত, দখলদারিত্ব মুক্ত একটি সমাজ গঠন। তৃতীয় হলো এখানে যেই ধরনের নারীদের উপর হ্যারাসমেন্ট করা হচ্ছে, মা বোনদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে আসবো। স্কুলে দখল বাণিজ্য বন্ধ করব।’





