নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘ইসি প্রশাসন, মাঠ প্রশাসন যে নিরপেক্ষ আচরণ করা দরকার, তা তারা করছে না। ইসি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করলে নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে দায় প্রধান উপদেষ্টার ওপরও আসবে।’
তিনি বলেন, ‘সংবিধানের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপিদের পক্ষে রায় দেয়া হয়েছে। বিএনপি ও ছাত্রদল ইসির সামনে মব তৈরি করে ইসির এমন রায় দেয়া হয়েছে। দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে অংশ নিক, তা আমরা চাই না। আমরা আদালতে যাবো।’
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রসঙ্গ টেনে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘তারেক রহমান দেশে আসার সময় সারা ঢাকায় তার ছবিযুক্ত পোস্টার ব্যানার ছিলো। তখন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। খালেদা জিয়ার শোকসভার নামে নানা প্রচারণা করা হচ্ছে। সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান বলেছিলেন, আই হ্যাভ এ প্ল্যান। স্বাধীন প্রতিষ্ঠান ইসি। তাকে নিয়ন্ত্রণ করা কি তারেক রহমানের পরিকল্পনা? মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করা কি তার পরিকল্পনা?’
নির্বাচন কমিশনের বিষয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘ইলেকশন কমিশন সংস্কারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। গণভোটের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। ইসি নিরপেক্ষতা না রাখতে পারলে প্রয়োজনে ইলেকশন কমিশনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। তবে আমরা মুখোমুখি অবস্থান চাই না।’
তিনি বলেন, ‘ইলেকশন কমিশন সবার আস্থা অর্জন না করতে পারলে সুষ্ঠু নির্বাচন কীভাবে প্রত্যাশা করবো? ইলেকশন কমিশন যদি মনে করে দেশে একটাই দল তাহলে তারা ভুল ভেবেছে। ইসি এমন করতে থাকলে, আমরা মাঠে নামতে বাধ্য হব।’
আরও পড়ুন:
১০ দলীয় জোটের আসন চূড়ান্ত করার বিষয়ে এনসিপির এ নেতা বলেন, ‘জামায়াত-এনসিপির যারা মনোনয়ন পাবেন না, তারা কাল প্রত্যাহার করার পর আমাদের আসন বিষয়গুলো চূড়ান্ত হয়ে যাবে।’
এবারের নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং করা যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বলেন, ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করতে চাইলে তা ভেস্তে যাবে। এবারের নির্বাচন ২০০৮ সালের মতো না। এবারের নির্বাচন হবে ১৯৯১ সালের মতো।’





