তিনি বলেন, ‘কোনো দ্বৈত নাগরিককে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে দেয়া হবে না। কাল যদি কোনো ঋণখেলাপি কিংবা বিদেশি নাগরিককে সুযোগ দেয়া হয়, তাহলে রাজপথে নামবে এনসিপি।’
আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি নিজেকে গণতান্ত্রিক ধারক বাহক মনে করে। কিন্তু তাদের কাজ কর্মে তা প্রকাশ পাচ্ছে না।’
তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে হবে, তবে বিগত সময়ে যারা দায়িত্বে ছিলেন, তারা সঠিক দায়িত্ব পালন করেনি, তাই তাদের পরিণত সম্পর্কে সবার ধারণা রয়েছে। যাচ্ছে তাই নির্বাচন করতে দেয়া হবে না। প্রয়োজন সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশনকে পুনর্গঠন করতে হবে।’
আরও পড়ুন:
এনসিপির মুখপাত্র বলেন, ‘কমিশন যদি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হয়েও স্বাধীনতা ধরে রাখতে না পারে, তাহলে রাজনৈতিক দাবি আমরা করতেই পারি। আমরা আইনি লড়াই চালিয়ে যাবো। আইন ভঙ্গ করে কিংবা ফাঁকফোকর করেও কোনো দ্বৈত নাগরিক কিংবা ঋণখেলাপিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে দেয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, ‘কালকে আপিল শুনানির শেষ দিন, এটি নির্বাচন কমিশনের জন্য রেড লাইন। যদি তারা ভুল করে, পক্ষপাত করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে একশনে যাবে এনসিপি।’
এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম মুসা সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, বিএনপির অনেকে ঋণখেলাপি হয়েও নির্বাচনে অংশ নেয়ার চেষ্টা করেছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে তাদের বৈধতা দিয়েছে। দ্বৈত নাগরিকত্ব বিষয়ে ইসি সংবিধানের ব্যাখ্যা দেয়ার চেষ্টা করছে, এটি খুবই বিপজ্জনক প্রবৃত্তি। কমিশন আইন অনুসরণ করবেন, ব্যাখ্যা দেয়ার এখতিয়ার তাদের নেই।





