সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘দেশনায়ক তারেক রহমান আগামী ১১ জানুয়ারি বগুড়ায় যাওয়ার পথে প্রথমবারের মতো টাঙ্গাইলে আসছেন। তিনি মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন। এটি তার টাঙ্গাইলে প্রথম সফর। আমরা সৌভাগ্যবান যে তার রাজনৈতিক সফরের সূচনা হচ্ছে টাঙ্গাইল থেকে এবং তা আবার ভাসানীর কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে।’
তিনি বলেন, ‘মওলানা ভাসানী কাগমারী সম্মেলনের মধ্য দিয়ে আমাদের স্বাধীনতার আন্দোলনের বীজ রোপণ করেছিলেন। পরবর্তীতে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। শহিদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া উভয়েই এ মাজার জিয়ারত করেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার দেশনায়ক তারেক রহমানও মওলানা ভাসানীর কবর জিয়ারত করতে টাঙ্গাইলে আসছেন।’
টুকু বলেন, ‘তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে দল-মত নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশের মির্জাপুর এলাকা থেকেই তাকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে টাঙ্গাইলবাসী তাকে অভ্যর্থনা জানাবেন।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘টাঙ্গাইলবাসী ঐক্যবদ্ধভাবে তার আগমনকে আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করছে। রাজনৈতিকভাবে এ দিনটি টাঙ্গাইলের ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক দিন হয়ে থাকবে। বিশেষ করে টাঙ্গাইল সদরবাসীর মধ্যে ঈদের মতো আনন্দ অনুভূত হচ্ছে।’
বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন তারেক রহমান যে বক্তব্য দিয়েছেন- আগামীর বাংলাদেশে শান্তি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে প্রত্যয় তিনি ব্যক্ত করেছেন তা মানুষের মধ্যে ব্যাপক আশাবাদ তৈরি করেছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম তার “আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান” বক্তব্যে অনুপ্রাণিত হয়েছে।’
তারেক রহমানের আগমন ও দোয়া মাহফিলকে সফল করতে দলের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এসময় বিএনপির এ কেন্দ্রীয় নেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখেন এবং উপস্থিত নেতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, যুবদলের কেন্দ্রীয় সাবেক সদস্য আবদুল্লাহ হেল কাফি শাহেদ ও সৈয়দ শহিদুল আলম টিটু, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সাগর আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক সাজিদ ইসলাম দিপুসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা।





