২০২৪ এর জুলাইয়ে নিজেদের অধিকার আদায়ে স্বৈরাচারের বুলেটের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়ায় দেশের আপামর ছাত্র-জনতা। আন্দোলনের এক পর্যায়ে ৫ আগস্ট পতন হয় হাসিনা সরকারের। যার জন্য গুনতে হয়েছে অন্তত হাজারও প্রাণ, আহতের সংখ্যা অগণিত।
এরপর গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। পর্যায়ক্রমে মিথ্যা মামলা থেকে মুক্ত হতে থাকেন আওয়ামী লীগ সরকারের রোষানলে থাকা দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
অবশেষে ১৭ বছরের লন্ডনের নির্বাসিত জীবন শেষে গেলো ২৫ ডিসেম্বর নিজ মাতৃভূমিতে ফেরেন তিনি। ৩০ ডিসেম্বর মা গণতন্ত্রের আপসহীন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আবারও শোকার্ত হয়ে পরেন তারেক রহমান, শোকার্ত লাখো কোটি বাংলাদেশি।
দলের চেয়ারপারসনের মৃত্যুতে সাত দিনের দলীয় শোক শেষে আজ থেকে জোরেসোরে চলছে বিএনপির সাংগঠনিক ও নির্বাচনি কার্যক্রম। এরইমধ্যে জুলাইয়ের বীর সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে তারেক রহমানের ১১ থেকে ১৪ জানুয়ারি চার দিনের উত্তরাঞ্চল সফরের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।
চূড়ান্ত সময়সূচি অনুযায়ী, তারেক রহমান ১১ জানুয়ারি টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়া সফর করবেন। বগুড়ায় রাত্রিযাপন করে পরের দিন ১২ জানুয়ারি রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁওয়ে যাবেন।
১৩ জানুয়ারি তিনি ঠাকুরগাঁও থেকে পঞ্চগড়, নীলফামারী ও লালমনিরহাটে যাবেন এবং রাত্রিযাপনের জন্য রংপুরে ফিরে আসবেন। তিনি ১৪ জানুয়ারি রংপুর থেকে বগুড়া হয়ে ঢাকায় ফিরে তার সফর শেষ করবেন।
আরও পড়ুন:
এ সফরের মধ্যে রয়েছে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শহিদ আবু সাঈদ, তৈয়বা মজুমদারসহ নিহত জুলাই যোদ্ধা ও দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহিদদের কবর জিয়ারত-দোয়া মাহফিল। রয়েছে আহত জুলাই যোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ।
সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারদের উদ্দেশে দেয়া এক চিঠিতে বলা হয়, সফরটি মূলত ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের জারি করা আচরণবিধি কোনোক্রমেই লঙ্ঘন করা হবে না। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাসহ সব পদক্ষেপ নেয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে চিঠিতে।





