কিশোর সন্তানকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গের সামনে স্বামীর মরদেহের জন্য অপেক্ষা করছিলেন দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত ঢাকা মহানগর উত্তরের স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুছাব্বিরের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম। স্বামীর মৃত্যু শোক তাকে একইসঙ্গে বিহ্বল ও কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি করে দিয়েছে।
সুরাইয়া বেগম জানান, কিছুদিন ধরেই নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত ছিলেন আজিজুর রহমান মুছাব্বিরর। তবে সেটি ব্যবসায়িক নাকি রাজনৈতিক কারণে, সে বিষয়ে পরিবারকে কিছু জানাননি তিনি।
তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক বা ব্যবসা সম্পর্কিত বিষয়গুলো ও সবসময় নিজের মধ্যেই রাখতো। ও বলতো যে, ওর অনেক শত্রু হয়ে গেছে, ওকে যেকোনো সময় মেরে ফেলবে।’
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, ‘আমি আসলে কাউকে চিনি না। আমাদের কাছে সিসি টিভি ফুটেজ আছে, সেখান থেকে দেখে শনাক্ত করে, ওনারা ওনাদের মতো করে তদন্ত করবেন।’
বুধবার সন্ধ্যার পর আজিজুর রহমান মুছাব্বিরসহ দুই জনকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। স্বজনেরা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছিল আজিজুর রহমানের।
এদিকে ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, ‘ঘটনার প্রাথমিক কারণ অনুসন্ধানের জন্য আমরা কাজ করছি। এরই মধ্যে ঘটনাস্থলের সিসি টিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। আমরা সেগুলো বিশ্লেষণ করে দেখছি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুছাব্বিরের স্ত্রী বাদী হয়ে তেজগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এজাহারনামায় কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি। আমরা এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা করছি। আশা করি, দ্রুতই তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হবো।’





