ডা. তাহের বলেন, ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপিকে ১০ আসন ছেড়ে দেয়ার যে খবর প্রচার হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ কাল্পনিক। এর কোনো সত্যতা নেই।’
জামায়াতের সঙ্গে একাধিক দল ও জোট থাকায় ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাই, তাহলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে কোনো অসুবিধা হবে না।’
সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ নিয়ে অভিযোগ তুলে বলেন, ‘এতে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে জনমনে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।’ অতীতের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হলে তার ফল ভালো হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা।
ডা. তাহের অভিযোগ করেন, প্রার্থিতা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন বৈষম্য করেছে। একই ধরনের ঘটনায় কোথাও মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হলেও বিভিন্ন জায়গায় দলীয় ডিসিরা জামায়াতের প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল করেছেন। তিনি বলেন, ‘কোনো ব্যক্তিকে অতিরিক্ত নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে, যা নির্বাচনের আগ মুহূর্তে নিরপেক্ষতার পরিপন্থি।’
আরও পড়ুন:
সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে কেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের প্রস্তাব কমিশনকে দেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সম্মতি জানিয়েছে।’
ভারতের সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক প্রসঙ্গে ডা. তাহের বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমিরে জামায়াতের কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়নি। অসুস্থতার সময় ভারতীয় দূতাবাসের পক্ষ থেকে সাক্ষাতের আগ্রহ জানানো হলেও বিষয়টি গোপন রাখার অনুরোধ করায় তা সম্মান করা হয়েছে।’
এদিন সকালে রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে ইউরোপীয় এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক পাওলা পাম্পালোনির নেতৃত্বে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের কয়েকজন কূটনীতিকের সঙ্গে দেড় ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আগামী নির্বাচনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
পরে সংবাদ সম্মেলনে ডা. তাহের বলেন, ‘অতীতে দেশে যত রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে, তার মূল কারণ ছিল সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের অভাব।’ ভবিষ্যতেও যদি কোনো পাতানো নির্বাচন হয়, তাহলে দেশ গভীর সংকটে পড়বে বলেও সতর্ক করেন তিনি।





