আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে গত ১৯ জুলাই নরসিংদী জেলা কারাগারে ঘটে ভয়াবহ হামলা ও লুটপাটের ঘটনা। ৮২৬ জন কয়েদি পালিয়ে যায়, লুট হয় ৮৫টি অস্ত্র ও ৮ হাজার রাউন্ড গুলি। আত্মসমর্পণ ও গ্রেপ্তারের মাধ্যমে এরই মধ্যে কারাগারে ফেরানো হয়েছে ৬৩৮ জনকে। উদ্ধার হয়েছে ৫৪টি অস্ত্র ও প্রায় ৩ হাজার রাউন্ড গুলি।
লুট হওয়া ৮৫টি অস্ত্র ও প্রায় ৮ হাজার রাউন্ড গুলির মধ্যে এখনো খোঁজ নেই ৩১টি অস্ত্র ও ৫ হাজারের বেশি গুলির। এখনো পলাতক ১৮৮ কয়েদি।
সবকিছু মিলিয়ে প্রশ্ন ওঠে পলাতক কয়েদি এবং উদ্ধার না হওয়া অস্ত্র ও গুলি কোথায়?
অনুসন্ধানে জানা গেছে , ভাড়ায় এসব অস্ত্র হাত বদল হচ্ছে নিয়মিত, ঘটছে নানা অপরাধ। সেই সাথে পাল্টেছে অপরাধের ধরণ, দেশিয় অস্ত্রের বিপরীতে ব্যবহার হচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র। এই অবস্থা নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে যুব সমাজের ওপর বলে মনে করে সুশীল সমাজ।
এদিকে পুলিশ বলছে, কারাগারে দেয়া আগুনে কাগজপত্র পুড়ে যাওয়ায় বেগ পেতে হচ্ছে কয়েদি ধরতে। তবে পলাতক কয়েদিদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং পাশাপাশি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারের অভিযান চলছে বলেও জানান পুলিশ সুপার।
গত ৬ মাসে জেলাজুড়ে বেড়েছে গুলি করে হত্যার ঘটনা। ঝুঁকি এড়াতে দ্রুত পলাতক কয়েদিদের গ্রেপ্তার ও লুটের অস্ত্র উদ্ধারের দাবি জানিয়েছে জেলাবাসী।