বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, 'ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার পুটিয়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশি যুবক আল আমিন নিহত ও গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলা সীমান্তে বিএসএফ বাংলাদেশি যুবক বিল্লালের উপর চরম নির্যাতন চালিয়ে তাকে মারাত্মকভাবে আহত করার ঘটনার আমি তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি।'
তিনি বলেন, 'আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ বাংলাদেশ সীমান্তে প্রায়ই বিনা কারণে বাংলাদেশিদের গুলি করে হত্যা করে এবং অন্যায়ভাবে ধরে নিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে হত্যাকাণ্ড শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসার জন্য ভারত বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের বিজিবির সাথে ভারতীয় বিএসএফের একাধিক বৈঠকের পরেও সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা ও নির্যাতন কোনোভাবেই বন্ধ হচ্ছে না।'
তিনি আরও বলেন, 'গত তিনমাসে ভারতীয় বিএসএফ আটজন বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা করেছে এবং অনেককে আহত করেছে। বিএসএফের আগ্রাসী তা বে সীমান্ত এলাকার বাংলাদেশিদের মধ্যে ভয়ভীতি ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। ভারতীয় বিএসএফের এ ধরনের আগ্রাসী আচরণ দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের জন্য অন্তরায়।'
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, 'বাংলাদেশের জনগণ সবসময়ই প্রতিবেশিদের কাছে বন্ধুসুলভ আচরণ কামনা করে। আমরা আশা করব ভারত সরকার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনাকাঙ্ক্ষিত হত্যাকাণ্ড বন্ধ করবে এবং বাংলাদেশি যুবক আল আমিনকে গুলি করে নিহত ও বিল্লালকে মারাত্মকভাবে আহত করার ঘটনার সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিবে।'
তিনি বলেন, 'আমি বাংলাদেশি নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করার লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও ভারতীয় আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।'