আমির খসরু বলেন, 'জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুবরণ করেছে বিএনপির নেতাকর্মী। সবচেয়ে বেশি নেতাকর্মী জেলে গিয়েছে। শেখ হাসিনার পতনের সময় আমি যখন জেলে, তখনও পাঁচ থেকে সাত হাজার নেতাকর্মী কেরাণীগঞ্জের জেলে ছিল। সবচেয়ে বেশি পঙ্গু হয়েছে বিএনপি নেতাকর্মী। এখনও সংখ্যার দিক থেকে হাসপাতালে সবচেয়ে বেশি আছেন বিএনপি নেতাকর্মী।'
তিনি বলেন, 'কিছু কিছু যখন নতুন বয়ান সৃষ্টি হয়, ওই বয়ান কী বলে? ওই বয়ানে বিএনপি নেতাকর্মীদের অবদানের কোনো কথা নেই। ওই বয়ানে কিছু ছাত্রনেতার কথাবার্তায় মনে হয় তারা পুরো আন্দোলনটাকে হাইজ্যাক করে নিয়ে গেছে। কিন্তু আমরা তো হাইজ্যাক করতে চাই না। সবচেয়ে বেশি অবদান বিএনপির থাকা সত্ত্বেও বলছি এই আন্দোলনের সফলতা বাংলাদেশের মানুষের।'
তিনি আরও বলেন, 'বিএনপি এবং আমাদের সাথে যুগপৎ আন্দোলনে যারা ছিল, সবাইকে নিয়ে আলোচনার পরে তারেক রহমান ৩১ দফা সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছেন দেড় বছর আগে। আর এখন উনারা (অন্তর্বর্তী সরকার) আমাদেরকে সংস্কারের গল্প শুনাচ্ছে। বাংলাদেশে যত সংস্কার হয়েছে, তা বিএনপির আমলেই হয়েছে। আগামী দিনে যে সংস্কার হবে এটিও বিএনপির নেতৃত্বেই হবে।'
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা, অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল ও কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম ভূইয়াসহ অনেকে।