দেশে এখন
‘জলদস্যুদের হাতে জিম্মি নাবিকদের উদ্ধারে অগ্রগতি, শিগগিরই মুক্ত করা সম্ভব’
সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে জিম্মি বাংলাদেশি নাবিকদের উদ্ধারে অনেকদূর অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। আজ (শনিবার, ৬ এপ্রিল) সকালে চট্টগ্রামে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, 'সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে জিম্মি নাবিকদের উদ্ধারে অনেকদূর অগ্রগতি হয়েছে। আলোচনার পাশাপাশি জলদস্যুদের ওপর নানামুখী চাপ আছে।’

গত ১২ মার্চ ভারত মহাসাগর থেকে ২৩ নাবিকসহ এমভি আবদুল্লাহ জাহাজ জিম্মি করে সোমালিয়ার দস্যুরা। আফ্রিকার মোজাম্বিক থেকে কয়লা নিয়ে দুবাইয়ের আল হামরিয়া পোর্টে যাচ্ছিলো জাহাজটি। ১৯ মার্চ দুবাইয়ে পৌঁছানোর কথা ছিলো জাহাজটির।

জাহাজটির জিম্মিতে নেওয়ার পর দুই দফা অবস্থান পরিবর্তন করে সোমালিয়ার গদভজিরান জেলার জেফল উপকূলে নিয়ে যায় দস্যুরা। জিম্মি করার ৯ দিনের মাথায় জাহাজ থেকে মালিকপক্ষের সঙ্গে স্যাটেলাইট ফোনে যোগাযোগ করে দস্যুরা। মূলত জাহাজসহ নাবিকদের মুক্তির বিষয় নিয়ে এরপরই আলোচনা শুরু হয় দুপক্ষের মধ্যে।

এরই মধ্যে ২৫ দিন পেরিয়ে যাচ্ছে। দস্যুদের সঙ্গে সমঝোতা কখন চূড়ান্ত হবে, নাবিকেরা কখন মুক্তি পাচ্ছেন—এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে জাহাজের মালিকপক্ষ, নৌপ্রশাসন ও নাবিকদের স্বার্থরক্ষাকারী সংগঠনের প্রতিনিধিদের দেওয়া সবশেষ তথ্য হলো, এখনো দস্যুদের সঙ্গে চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। তবে সমঝোতার প্রক্রিয়া বেশ অনেকটা এগিয়েছে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘দিনক্ষণ বলা সম্ভব না। তবে আশা করছি, খুব শিগগিরই তাদের মুক্ত করা সম্ভব হবে।'

জানা গেছে, এমভি আবদুল্লাহ জিম্মি হওয়ার পর থেকে নৌপরিবহন অধিদপ্তর বিষয়টি নিয়ে নিয়মিত খোঁজখবর রাখছে। আর মালিকপক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, জিম্মি নাবিকসহ এমভি আবদুল্লাহ মুক্ত করতে এখনো আলোচনা চলছে।

এদিকে অস্থিতিশীল বান্দরবানের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, 'পাশ্ববর্তী দেশের সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কুকি-চিনের যোগাযোগ আছে। কুকি-চিন নির্মূলে সরকার সাড়াশি অভিযান চালাবে। তাদের কোন ছাড় দেওয়া হবে না।'

এভিএস