শিক্ষা
দেশে এখন
৪২ প্রতিষ্ঠানের কেউ এইচএসসি পাস করেনি, শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে বন্ধ!
সক্ষমতা না থাকলেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান শিক্ষাবোর্ডের রেজিস্ট্রেশন ও পাঠদানের অনুমতি পেয়ে যাচ্ছে। অথচ পাবলিক পরীক্ষায় এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পাসের হার শূন্য।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারের এমনই একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান 'নর্দান কলেজ বাংলাদেশ'। বোর্ডের তথ্যমতে, এখান থেকে ১ জন পরীক্ষায় অংশ নিলেও পাস করতে পারেনি।

কলেজটির একজন শিক্ষকের সঙ্গে প্রতিবেদকের মুঠোফোনে কথা হয়। তিনি বলেন, গত দুই বছর ধরে আমাদের কলেজে ঝামেলা চলছে, শিক্ষা-কার্যক্রম কোনরকম চলছে।

রাজধানীর মুগদায় অবস্থিত এশিয়ান আইডিয়াল কলেজের পাসের হারও শূন্য। ২০১৬ সালে প্রথম এই কলেজের শিক্ষার্থীরা এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তবে এবার ১৩ জন শিক্ষক মিলেও একজন পরীক্ষার্থীকে পাস করাতে পারেননি।

এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. নেছার আলী বলেন, প্রতিবছরই শতভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। এবার আমাদের একজন শিক্ষার্থী ছিলেন। তাকে আমরা কীভাবে পড়াবো এ নিয়ে বিড়ম্বনায় ছিলাম।

শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. এস এম হাফিজুর রহমান বলেন, এমন প্রতিষ্ঠানগুলো একেবারে বন্ধ করে দিয়ে শিক্ষার্থীদের অন্য কলেজে নিতে হবে। আর যদি এই কলেজগুলোকে কার্যকর করতে হয় তবে সরকারের সহায়তা বাড়াতে হবে।

ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার বলেন, এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ১ বছর সুযোগ দেয়া হবে। নীতিমালায় যেসব শর্ত আছে তা পূরণ করতে না পারলে এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হবে।

চলতি বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ১৭৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৩ লাখ ৫৭ হাজার ৯১৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। যেখানে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯৫৩টি। অপরদিকে ৪২ প্রতিষ্ঠানের একজনও পাস করেনি। এর মধ্যে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানও আছে।

এওয়াইএইচ
আরও পড়ুন: