বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিহতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক হলেন পথচারী। প্রায় ৪২ দশমিক ৭৭ শতাংশ বা ৫৯২ জনই পথচারী। এরইমধ্যে মোটরসাইকেল আরোহী ৫৩৬ জন (৩৮ দশমিক ৭২ শতাংশ) এবং বাস, রিকশা, সিএনজি ইত্যাদি যানবাহনের চালক ও যাত্রী ২৫৬ জন (১৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ)।
দুর্ঘটনার সময় পর্যবেক্ষণে দেখা যায় দুর্ঘটনাসমূহ রাতে এবং সকালে বেশি ঘটেছে। বাইপাস রোড না থাকার কারণে রাত ১০টা থেকে ভোর পর্যন্ত রাজধানীতে মালবাহী ভারী যানবাহন বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। ফলে রাস্তা পারাপারে পথচারীরা বেশি নিহত হচ্ছেন। এছাড়া দীর্ঘসময় যানজটের কারণে যানবাহন চালকদের আচরণে অসহিষ্ণুতা ও ধৈর্যচ্যুতি ঘটছে, যা সড়ক দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে কাজ করছে। বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায়, ভোরবেলা ১৪২ জন (১০.২৬%) সকালে ২৫৮ জন (১৮.৬৪%), দুপুরে ১৯৫ জন (১৪.০৮%), বিকালে ১৭৪ জন (১২.৫৭%), সন্ধ্যায় ৯৬ জন (৬.৯৩%), এবং রাতে ৫১৯ জন (৩৭.৫%) দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, রাজধানীতে দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে বাস ২১ দশমিক ৭৫ শতাংশ, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্যাংকার-ময়লাবাহী ট্রাক ৩৩ দশমিক ২৫ শতাংশ, মোটরসাইকেল ২৬ শতাংশ, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-জীপ ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং অটোরিকশা-সিএনজি-লেগুনা ১২ দশমিক ৭৩ শতাংশ দায়ী।
রাজধানীতে যানবাহনের তুলনায় অপ্রতুল সড়ক, একই সড়কে যান্ত্রিক-অযান্ত্রিক, স্বল্প ও দ্রুত গতির যানবাহনের চলাচল, ফুটপাত হকারের দখলে থাকা, ফুটওভার ব্রিজ যথাস্থানে নির্মাণ না হওয়া ও ব্যবহার উপযোগী না থাকা এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের অসচেতনতার কারণে অতিমাত্রায় দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটছে বলেও উল্লেখ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে। সড়ক দুর্ঘটনার হটস্পট হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, মোহাম্মদপুর, কুড়িল বিশ্বরোড এবং বিমানবন্দর এলাকাকে।





