বৈঠকে বাংলাদেশ ও ফিলিস্তিনের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃপ্রতীম সম্পর্ক, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে অত্যন্ত আন্তরিক ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
সাক্ষাতে পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ফিলিস্তিনের নিপীড়িত জনগণের প্রতি বাংলাদেশের অবিচল ও অব্যাহত সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ন্যায়সঙ্গত ও একটি টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশের স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনের জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠনের লড়াইয়ে বাংলাদেশ সব সময় দৃঢ়ভাবে পাশে থাকবে।’
ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস. ওয়াই. রমাদান বাংলাদেশের সরকার ও সাধারণ জনগণের দীর্ঘদিনের অকুণ্ঠ ও নিঃস্বার্থ সমর্থনের জন্য গভীর ও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘কেবল রাজনৈতিক সমর্থনই নয়, বরং বাণিজ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্র সম্প্রসারণ করা জরুরি।’
অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উভয় পক্ষই পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে নিয়মিত দ্বিপাক্ষিক সংলাপ আয়োজন এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ-ফিলিস্তিনের এই ঐতিহ্যবাহী ও ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আগামী দিনগুলোতে আরও গভীর ও অর্থবহ করার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।





