আজ (বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন) এ সামিট অনুষ্ঠিত হয়। পরে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আইএসপিআর জানায়, ইভেন্টটি বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পর্যায়ের ইভেন্ট, যেখানে শিক্ষার্থী, প্রকৌশলী, অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রি প্রফেশনালরা এবং পলিসিমেকাররা একত্রিত হয়। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশের অটোমোবাইল কমিউনিটির বন্ধন আরও মজবুত করবে বলে আশা করা যায়। শিক্ষার্থী, প্রকৌশলী, গবেষক, অটোমোবাইল শিল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও নীতিনির্ধারকদের একই মঞ্চে নিয়ে এসে দেশের অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের বিকাশ ত্বরান্বিত করা এবং একাডেমিয়া ও শিল্পের মধ্যে টেকসই সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তোলাই এই সামিটের মূল লক্ষ্য।
এ আয়োজনে প্রায় আড়াই হাজারের বেশি অতিথি ও দর্শনার্থী অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এমআইএসটি কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান। অনুষ্ঠানটির আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে ছিলেন এমআইএসটির মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম।
আরও পড়ুন:
অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞদের পরিচালনায় অটোমোটিভ ও ফর্মুলা স্টুডেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর টেকনিক্যাল সেশন এবং দেশের অটোমোটিভ ও ওইএম (ওইএম) খাতের উন্নয়ন সংক্রান্ত ফর্মুলা স্টুডেন্ট কমিউনিটি, ইন্ডাস্ট্রি প্রফেশনাল ও কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিশেষভাবে ফর্মুলা ফিউচার বিজনেস কেস প্রতিযোগিতা, আইসি ইঞ্জিন মাস্টারক্লাস ও কুইজ, ফর্মুলা স্টুডেন্ট কনসেপ্ট কার চ্যালেঞ্জ, ক্যাড ডিজাইন প্রতিযোগিতা এবং পোস্টার প্রেজেন্টেশন আয়োজন করা হয়।
এছাড়া দর্শনার্থীদের জন্য ইভেন্টে আকর্ষণ হিসেবে ছিলো কার শো, গো-কার্ট রেসিং, সিমুলেটর রেসিং। এর মধ্যে বিশেষ আকর্ষণ ছিলো ‘কার শো’, যেখানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তৈরি ফর্মুলা স্টুডেন্ট রেসিং কারের পাশাপাশি স্বনামধন্য ব্র্যান্ড ও সংগ্রাহকদের হাই-পারফরম্যান্স গাড়ি প্রদর্শিত হয়।
মূল আয়োজনের পূর্বে ‘ট্র্যাকটক ২০২৬’ শীর্ষক একটি অনলাইন ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ফর্মুলা স্টুডেন্ট, ফর্মুলা ওয়ান ও হাই-পারফরম্যান্স গাড়ি উন্নয়নে অভিজ্ঞ দেশি-বিদেশি অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রি প্রফেশনালরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।




