আজ (বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর অফিসে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠিত বৈঠকে দু’দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, রোহিঙ্গা ইস্যু, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ, সংগঠিত অভিবাসন অপরাধ দমন, জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার বিদ্যমান গভীর সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ মিত্র ও অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার।’
হাইকমিশনার বলেন, আগামী ৭-৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে ২য় বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা অনুষ্ঠিত হবে যেখানে দুইটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। বৈঠকটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
মন্ত্রী ২০২৪ সালে স্বাক্ষরিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর’র আওতায় যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়মতান্ত্রিক প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং যুক্তরাজ্য প্রেরিত ‘ইউকে লেটার’-এর প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানান।
বৈঠকে অভিবাসন অপরাধ প্রতিরোধ, ‘পুলিশ রেফারেল প্রোগ্রাম’, অবৈধভাবে পাচারকৃত অর্থ ও সম্পদ চিহ্নিতকরণ এবং তা পুনরুদ্ধারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করা হয়। মন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটে যুক্তরাজ্যের মানবিক সহায়তার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, রাজনৈতিক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-২ অধিশাখার যুগ্মসচিব মোহাম্মদ আবদুল কাদের, রাজনৈতিক-১ শাখার উপসচিব মিনারা নাজমীনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।





