মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (উইসমা পুত্রা) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সফরে থাকবেন তার সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।
সফরের অংশ হিসেবে পুত্রজায়ার পারদানা পুত্রা কমপ্লেক্সে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হবে। পরে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হবেন তিনি।
বৈঠকে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্কের অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জনশক্তি ব্যবস্থাপনা, সেমিকন্ডাক্টর, জ্বালানি, কৃষি এবং শিক্ষা খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হবে। এছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়েও মতবিনিময় করবেন দুই নেতা।
আরও পড়ুন:
সফরকালে দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর এবং সন্ত্রাসবিরোধী গবেষণা ও বিনিয়োগ উন্নয়ন-সহায়তা সংক্রান্ত দু’টি নোট বিনিময়ের কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আয়োজিত রাষ্ট্রীয় মধ্যাহ্নভোজেও অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
উইসমা পুত্রার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিলো ১২ দশমিক ১৮ বিলিয়ন রিঙ্গিত (প্রায় ২ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)। দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের পর বাংলাদেশ বর্তমানে মালয়েশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার।
মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আশা প্রকাশ করেছে, এ সফরের মাধ্যমে ১৯৭২ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর থেকে গড়ে ওঠা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা নতুন গতি পাবে।





