এসময় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূত উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলাপ করেন।
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের অপরিশোধিত তেল এবং পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির অন্যতম প্রধান ও নির্ভরযোগ্য উৎস।’
বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি বা আকস্মিক ধাক্কা থেকে নিজেদেরকে সামলে নিতে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি কাঠামোর আওতায় আনার বিষয়টি তিনি রাষ্ট্রদূতের কাছে পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি জানান, এছাড়া এলএনজি বাণিজ্যের সম্প্রসারণ, স্পট মার্কেটের অস্থিরতা এড়ানো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি গ্রিড আধুনিকীকরণ, কার্বন নির্গমন হ্রাস, স্বয়ংক্রিয় সাব-স্টেশন এবং বন্দরের কাছাকাছি জ্বালানি বাঙ্কানিং সুবিধা তৈরিতে সহায়তা করার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।
আরও পড়ুন:
বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত যেভাবে সেদেশে গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনের হাব বা কেন্দ্র তৈরি করছে, তেমনিভাবে বাংলাদেশ সরকার সার কারখানা এবং ভারী ইস্পাত শিল্পকে প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে গ্রিন হাইড্রোজেন বা গ্রিন অ্যামোনিয়াতে রূপান্তর করার বিষয়ে বিনিয়োগ এবং কারিগরি সহযোগিতা প্রদানের বিষয়টি তুলে ধরেন।
এসময় সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে তাদের সরকারের আগ্ৰহ এবং সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের বিষয়ে আশ্বাস প্রদান করেন।
রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী আল-হামুদী দুই দেশের এই ঐতিহাসিক অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দূতাবাসের কর্মকর্তা আলতাপ হোসেন।



 Minister Li Yunze-320x167.webp)

