সিসিভেদে মোটরসাইকেলের কর কত? (Motorcycle Tax by CC)
নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, মোটরসাইকেলের ইঞ্জিনের ক্ষমতা বা সিসি (CC) অনুযায়ী করের পরিমাণ নির্ধারিত হবে। তবে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের কথা মাথায় রেখে ১১০ সিসি পর্যন্ত বাইকের ক্ষেত্রে কোনো আয়কর দিতে হবে না।
- ১১১-১২৫ সিসি: বছরে ২,০০০ টাকা অগ্রিম আয়কর (Advance Income Tax)।
- ১২৬-১৬৫ সিসি: বছরে ৫,০০০ টাকা অগ্রিম আয়কর।
- ১৬৫ সিসির বেশি: বছরে ১০,০০০ টাকা অগ্রিম আয়কর।
আরও পড়ুন:
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার কর (Tax on Auto-Rickshaw)
শুধুমাত্র মোটরসাইকেল নয়, এবার করের জালে আসছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাও (Battery-run Auto-Rickshaw)। এলাকাভেদে এসব অটোরিকশার মালিকদের বছরে ১ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কর দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। মূলত রাজস্ব আয় বাড়াতেই সরকার এই বড় পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।
বিআরটিএ-র তথ্য ও রাজস্ব আদায় (BRTA Data and Revenue)
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (BRTA) তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা প্রায় ৪৮ লাখ ৭০ হাজার। করযোগ্য ৩৮ লাখ মোটরসাইকেল থেকে বছরে প্রায় ১,৫২০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। প্রতি বছর বাইকের ফিটনেস নবায়ন (Fitness Renewal) বা ট্যাক্স টোকেন সংগ্রহের সময় এই অগ্রিম কর পরিশোধ করতে হবে, যা পরবর্তীতে আয়কর রিটার্নের (Income Tax Return) সাথে সমন্বয় করার সুযোগ থাকবে।
বাজার ও সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব (Impact on Users and Industry)
মোটরসাইকেল খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই অগ্রিম কর আরোপের ফলে সাধারণ ব্যবহারকারীদের ওপর বড় আর্থিক চাপ তৈরি হবে। বিশেষ করে যারা যাতায়াতের প্রয়োজনে ১২৫ বা ১৫০ সিসির বাইক ব্যবহার করেন, তাদের খরচ বাড়বে। এতে মোটরসাইকেলের বিক্রি ও উৎপাদন (Sales and Production) কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন হোন্ডা, ইয়ামাহা ও বাজাজের মতো কোম্পানির কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন:




