প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের একটি বড় সমস্যা হলো আমরা মাটির নিচ থেকে অতিরিক্ত পানি তুলছি। কৃষি কাজসহ বিভিন্ন কাজে ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারের ফলে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় এখনই ব্যবস্থা নিতে হবে। তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো খাল খনন।’
তিনি বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু হয়েছে। যে প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে এসেছি তা বাস্তবায়ন হলে অতিবৃষ্টি হলেও জলাবদ্ধতা হবে না।’
বৃষ্টির কারণে বিস্তীর্ণ হাওরাঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘নতুন রাস্তা নির্মাণ করলে ফসলের ক্ষতির বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘সিটি করপোরেশনকে বিভিন্ন প্রকল্প নিতে হবে। বুড়িগঙ্গাসহ অন্যান্য নদীর বর্জ্য অপসারণ করতে হবে। একইসঙ্গে মানুষদের সচেতন করতে হবে। প্লাস্টিক, পলিথিনসহ সব আবর্জনা যত্রতত্রভাবে না ফেলতে শিশুদের সচেতন করতে সিটি করপোরেশনগুলোকে উদ্যোগ নিতে হবে।’
ঢাকা-সিলেট সহাসড়কের উন্নয়নের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সিলেট থেকে ঢাকা যাত্রাপথের সড়ক উন্নয়নের জন্য কাজ শুরু হয়েছে। সিলেট থেকে ঢাকার সড়ক অবস্থা খুব খারাপ, ১১টি জায়গায় কাজ বন্ধ ছিল তা দ্রুত সময়ের মধ্যে শুরু হবে। ডাবল লাইনের মাধ্যমে ঢাকা-সিলেট রেল যোগাযোগ আরও উন্নত করা হবে। ঢাকা-রংপুরের রেল যোগাযোগ এরইমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।’
আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রী জানান, জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।
তিনি বলেন, ‘সচেতনতার মধ্য দিয়ে আমরা যদি মানুষকে সুস্থ রাখতে পারি তাহলে অসুস্থ মানুষ যে যথাযথ সেবা দিতে পারবো। স্বাস্থ্য সেবায় সচেতন করতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেয়া হবে এবং তার মধ্যে থাকবে ৮০শতাংশ নারী। সিলেটে ২৫০শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল দ্রুত চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর সেটিকে ১২০০ শয্যা করবো।’





