স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সরকারের দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ পুলিশ মব সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘ভিডিও ফুটেজ ও আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার নিশ্চিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি ঢাকার বিভিন্ন থানায় মব সন্ত্রাস প্রতিরোধে বিশেষ স্কোয়াড গঠন করা হয়েছে।’
মন্ত্রী জানান, কোনো এলাকায় মব সন্ত্রাস বা চাঁদাবাজির খবর পাওয়া মাত্রই দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এ ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশের দৃশ্যমান টহলও জোরদার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
’তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অপরাধীদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এছাড়া ‘বিট পুলিশিং’ ও ‘কমিউনিটি পুলিশিং’-এর মাধ্যমে জনগণকে মব সন্ত্রাস বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে। একইসঙ্গে জনগণকে মব সন্ত্রাস বা চাঁদাবাজির ঘটনা দ্রুত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ অথবা সংশ্লিষ্ট থানা ও কন্ট্রোল রুমে জানানোর আহ্বান জানানো হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, ‘কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন গুজব বা বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়িয়ে মব সন্ত্রাস সৃষ্টি করতে না পারে, সে লক্ষ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।’—বাসস





