সাক্ষাৎকালে স্পিকার বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক সবসময় বন্ধুত্বপূর্ণ। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে যুক্তরাজ্যের জনগণ বাংলাদেশকে অকুণ্ঠ সমর্থন দেয়।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সংসদীয় গণতন্ত্রে যুক্তরাজ্যের ওয়েস্ট মিনিস্টার ডেমোক্রেসিকে অনুসরণ করে। ১৯৯১ সালে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন।’
সর্বশেষ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ও বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার দায়বদ্ধ। তৃণমূলের জনগণ ও প্রান্তিক কৃষকের সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ প্রশংসনীয় এবং সর্বমহলে সমাদৃত।’
তিনি আরও বলেন, ‘মানসম্মত ও কারিগরি শিক্ষার প্রসারে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে যুক্তরাজ্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।’
আরও পড়ুন:
সাক্ষাৎকালে তারা দুই দেশের মধ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে সহযোগিতা, প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ এবং অভিবাসন সংকট ও এর সমাধান নিয়ে আলোচনা করেন।
এসময় হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় যুক্তরাজ্য সর্বদা পাশে থাকবে।’ চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ব্রিটিশ সরকার যেকোনো যুদ্ধ ও সংঘাতকে নিরুৎসাহিত করে বলেও জানান তিনি।
এছাড়া হাইকমিশনার জাতীয় সংসদের স্পিকার পদে নির্বাচিত হওয়ায় হাফিজ উদ্দিন আহমদকে অভিনন্দন জানান। স্পিকার যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠন ও সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনের প্রতিনিধিদলের সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।





