আজ (মঙ্গলবার, ০৯ জুন) বিকেলে রাঙামাটি শহরের বন্দুকভাঙ্গা বালুরচর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে স্বজনদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোতয়ালী থানার ওসি জসীম উদ্দীন।
ইনতিসার হাসনাত চট্টগ্রামের ডিওএইচএস এলাকার বাসিন্দা এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী। তার সঙ্গে ছিলেন একই বিভাগের আরও তিন শিক্ষার্থী— ওয়াসি, শোভা ও হুমাইরা।
তবে তারা দুর্ঘটনার বিষয়ে কেউই মুখ খোলেননি। এমনকি হাসপাতালে মরদেহ নেয়া হলে ছবি তুলতে চাইলেও বাধা দেন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন।
স্থানীয় জানান, চার বন্ধু একটি বোটে করে কাপ্তাই হ্রদে নৌভ্রমণে বের হন। ভ্রমণ শেষে বিকেলে সদর উপজেলার বালুরচর এলাকায় পানিতে নামলে একপর্যায়ে ইনতিসার হাসনাত জিমেল তলিয়ে যান।
আরও পড়ুন:
খবর পেয়ে রাঙামাটি ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়। পরে সন্ধ্যায় তাকে উদ্ধার করে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
রাঙামাটি ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সর সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) নিউটন দাস বলেন, ‘সন্ধ্যার একটু আগে ফোন পেয়ে আমাদের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালিয়ে একজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে'।’
রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ফরহাদ কামাল বলেন, ‘পানিতে ডুবে যাওয়া একজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।’
কোতয়ালী থানার ওসি মো. জসীম উদ্দীন বলেন, ‘এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছে। স্বজনদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।’





