উদ্বোধনকালে রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুশাসন অনুযায়ী পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে এবং নাগরিক সেবা সুনিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আজ থেকে মশক নিয়ন্ত্রণে দুই সপ্তাহব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ফগার মেশিনে স্প্রে কার্যক্রম শুরু করা হলো। এর আগে আমরা গত ৬ জুন ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনামূলক র্যালি করেছি। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এ কাজে আমরা নগরবাসীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।’
নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে রাসিক প্রশাসক বলেন, ‘ডেঙ্গু একটি মারাত্মক মশাবাহিত রোগ হলেও সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব। তাই আসুন, ডেঙ্গমুক্ত রাজশাহী নগরী গড়ে তুলতে নিজ আঙ্গিনা ও আশপাশ পরিষ্কার রাখি। ফুলের টব, ভাঙ্গা হাড়ি-পাতিল, গাড়ী পরিত্যক্ত টায়ার, টিনের কৌটা, ডাব-নারিকেলের খোসা ইত্যাদি স্থানে পানি জমতে দেবেন না, মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সকলে সচেতন থাকি। আমরা সকলে মিলে রাজশাহীকে একটি পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর নগরী হিসেবে গড়ে তুলি।’
আরও পড়ুন:
রাসিকের পরিচ্ছন্ন বিভাগ জানিয়েছে, রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটনের নির্দেশনায় রাজশাহী মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে স্ল্যাব, ড্রেন, আন্ডারগ্রাউন্ড ড্রেন, ডোবা, জঙ্গল ও মশার প্রজনন স্থানে ফগার মেশিনে স্প্রে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী নগরীতে প্রতিদিন পাঁচটি ওয়ার্ডে মোট ১৪দিন চক্রাকারে ফগার মেশিনে কীটনাশক স্প্রে করা হবে। আজ থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত প্রতিটি ওয়ার্ড এলাকায় ফগার স্প্রে করা হবে। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয়ভাবে মহানগরীর বিভিন্ন সরকারী, আধা-সরকারী অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য অভিযোগের ভিত্তিতে ফগার স্প্রের বিশেষ অভিযান পরিচালিত হবে।
উদ্বোধনকালে রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মো. মামুন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এফ.এ.এম আঞ্জুমান আরা বেগম, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল আলম, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা সেলিম রেজা রঞ্জুসহ রাসিকের পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।




