রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের জন্য একটি হাসপাতাল আছে, যেটি মাত্র ৫০ শয্যা বিশিষ্ট। সেই হাসপাতালটা নিজেই একটা রোগীর মতো। কারণ এখানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, কর্মচারী, চাহিদামাফিক ওষুধ, অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি—সকল কিছুর সংকট বিদ্যমান।
আরও পড়ুন:
‘আমাদের এই হাসপাতালে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি ছয়তলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু ৫ আগস্টের পর ঠিকাদার পালিয়ে গেছে। এখনো পুরোনো দোতলা ভবন; যে ভবনটি দেখলেই রোগাক্রান্ত মনে হয়, সেখানেই কাজ চালানো হচ্ছে। জানা গেছে, এই হাসপাতালে কনসালট্যান্টসহ চিকিৎসকদের নয়টি, নার্সের ছয়টি, মেডিকেল টেকনোলজিস্টের দুটি, ফিল্ড স্টাফের ১৫টি, স্বাস্থ্য সহকারী আটটি ও অন্যান্য ১৯টি প্রেষণে থাকা পদসহ ৬৪টি পদ শূন্য রয়েছে,’ যোগ করেন তিনি।




